দ্য ওয়াল ব্যুরো: হুবহু গতবারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি। গত মরসুমেও ইস্টবেঙ্গলের যাবতীয় ব্যর্থতার দায়ভার কোচ রবি ফাউলার চাপিয়ে দিয়েছিলেন ফুটবলারদের ওপর। এবারও সেই পথে হাঁটলেন দলের স্প্যানিশ কোচ ম্যানুয়েল দিয়াজ।
তিনি দলের মিডিয়া ম্যানেজার মারফৎ জানিয়েছেন, এই ইস্টবেঙ্গল দলের একটাও ম্যাচ জেতার ক্ষমতা নেই। আদৌ কোনও ম্যাচ জিতবে কিনা, সেই নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন লাল হলুদের হেডস্যার।
চলতি আইএসএলে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল, তার মধ্যেই গোল হজম করেছে ১০টি। দলের রক্ষণ থেকে মাঝমাঠ, এমনকি আক্রমণের অবস্থাও ভাল নয়। দলের ফুটবলারদের মধ্যে কোনও সমঝোতা নেই। খেলা দেখে মনেও হচ্ছে না জিতবে কিনা।
লাল হলুদের কোচ দিয়াজকে গত ওড়িশা ম্যাচে দেখা গিয়েছে রিজার্ভ বেঞ্চে বসে নিজেই বিড়বিড় করছেন। হতাশায় তিনি একেবারে নিমগ্ন ছিলেন। ওড়িশার মতো দলের কাছে এক গোলে এগিয়ে থাকার সুবিধে তো নিতে পারেনি। পাশাপাশি ছয় গোল হজম করেছে। দলের রক্ষণভাগের ফুটবলারদের কার্যত দিশেহারা দেখিয়েছে।
শুধু তাই নয়, দলের ফুটবলারদের নির্বাচনের বিষয়ে তাঁর কোনও হাত ছিল না, সেটিও জানিয়ে দিয়েছেন কোচ দিয়াজ। বলেছেন, ‘‘আমি গোয়ায় এসে জেনেছি দলের ফুটবলারদের বিষয়ে, আগে থেকে কিছু জানতাম না।’’
ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ মানছেন, আইএসএল বড় টুর্নামেন্ট, এখানে দলগুলি যথেষ্টই শক্তিশালী। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ফুটবল খেলা সহজ কাজ নয়। কোচ সবচেয়ে হতাশ দলের ফুটবলারদের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে। দলটিকে দেখে মনে হচ্ছে না তারা বড় মঞ্চের জন্য প্রস্তুত।
যদিও এবার আইএসএলের শুরুতে প্রাক মরসুম প্রস্তুতি ভাল হয়েছে লাল হলুদের। তারপরেও এমন অবস্থা কেন, সেই নিয়ে কিছু বলতে চাননি কোচ দিয়াজ। তিনি গতবারের কোচ ফাউলারের মতো ভাঙা রেকর্ড বাজাতে শুরু করেছেন। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী ম্যাচ রয়েছে চেন্নাইয়ান এফসি-র বিপক্ষে। ওই ম্যাচেও কী হবে, আগে থেকে কেউ বলতে পারছেন না।
সবচেয়ে হতশ্রী অবস্থা সমর্থকদের। তাঁরা এমনিতেই হতাশ দলের খেলায়। চিমা, প্রেইস, সিডওয়েলদের পাশে হীরা মন্ডল, রফিকদের খেলাতেও কোনও উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।