দ্য ওয়াল ব্যুরো: রক্ষণশীলদের আঁতুড়ঘরে বড়সড় টোল খেল।
এতদিন যা হয়নি, তাই অবশেষে দিনের আলো দেখল ২৩৪ বছরের ইতিহাসে। ইংল্যান্ডের মেরিলিবন ক্রিকেট ক্লাবের (MCC) প্রেসিডেন্ট (President) পদে বসলেন এক মহিলা। যা এতদিন ভাবাই যায়নি। এর আগে এই সংস্থার প্রেসিডেন্ট ছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন নামী তারকা কুমার সাঙ্গাকারা।
এমসিসি ক্রিকেটের নানা আইন প্রণয়ন করে থাকে। সেই সংস্থায় শীর্ষ পদে মহিলাদের অন্তর্ভূক্তি ছিল না। তাঁদের ক্লাবে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু ক্লেয়ার কোনোর প্রেসিডেন্ট হয়ে সেই মিথ ভেঙে দিলেন।গত শতাব্দীর শেষের দিকেও এমসিসির কার্যালয় লর্ডসের ওল্ড প্যাভিলিয়নে রানি ছাড়া কারও প্রবেশাধিকার ছিল না।
ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক কোনোরকে এমসিসির পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে অবশ্য ঘোষণা করা হয়েছিল ২০২০ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায়। তবে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে তখনকার প্রেসিডেন্ট কুমার সাঙ্গাকারার মেয়াদ এক বছর বাড়ানোর পর এদিন অবৈতনিক পদের দায়িত্ব নিলেন কোনোর।
বর্তমানে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের মহিলা ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা দেখেন তিনি। এ ছাড়া ২০১১ সাল থেকে আইসিসির মেয়েদের ক্রিকেট কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ করে আসছেন, সাসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবেরও পরিচালক তিনি।
২০১৯ সালে এমসিসির সাম্মানিক আজীবন সদস্য করা হয় কোনোরকে। তাঁর সঙ্গে একই দিনে এমসিসির চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব নিয়েছেন ব্রুস কার্নেগি-ব্রাউন।
ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ১৯৯৫ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় কোনোরের। ২০০০ সালে এসে অধিনায়কত্ব শুরু করেন তিনি। ৪২ বছর পর ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো এই বাঁহাতি স্পিনারের অধীনই অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়াকে হারায় ইংল্যান্ড।