
শেষ আপডেট: 2 April 2024 20:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলা ক্রিকেটে বহুদিন কোনও সাফল্য নেই। শেষ কবে রঞ্জি ট্রফি জিতেছে, নতুন প্রজন্ম জানেই না। চলতি মরশুমেও নকআউটের প্রথম ম্যাচেই বিদায় নিয়েছে বাংলা। তারপরেও বঙ্গ কর্তারা বড় স্বপ্ন দেখছেন।
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় একটা সময় ভিশন টোয়েন্টি ২০ পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। তার সুফল মিলেছে। জুনিয়র স্তরের ক্রিকেটের সাপ্লাইলাইন ঠিক রয়েছে ওই পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায়। কিন্তু রঞ্জি ট্রফিসহ বাকি সর্বভারতীয় আসরে কেন দিনের পর দিন এত ব্যর্থতা, সেটির কারণ অজানাই থেকে গিয়েছে।
মঙ্গলবার তারমধ্যে সিএবি-তে বেঙ্গল প্রিমিয়ার লিগের দামামা বাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। আইপিএলের মতোই বিনোদনের পসরা সাজিয়ে এই চাকচিক্যের ক্রিকেট হবে। স্বল্পমেয়াদী ক্রিকেট কতটা ফলপ্রসু হবে, সেটি সময়ই বলবে। তবে নিয়মের কিছু ফাঁকও রয়েছে। সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন, মোট ৮ দলের এই টি ২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আদতে ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক আসর।
বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থা এই দলগুলি কিনবে। তাদের পৃথক বেতন কাঠামো হবে। কিন্তু ২১ দিনের এই টুর্নামেন্টে বাইরের রাজ্য থেকে কোনও ক্রিকেটার খেলতে পারবেন না। কিন্তু কোনও ভিনরাজ্যের তারকা যদি কলকাতার ঠিকানার আধারকার্ডসহ অন্যান্য সরকারি প্রমাণপত্র দেখাতে পারলে তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে।
কলকাতাসহ বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে এরকম বহু ভিনরাজ্যের তারকা দীর্ঘদিন ধরে খেলছেন। তাঁরাই কোনও ফ্রাঞ্চাইজি দলের প্রতিনিধিত্ব করে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স করলে কেউ কিছুই বলতে পারবে না।
এটি যে নিয়মের বিস্তর ফাঁক, সেটি মানছেন সিএবি সভাপতি। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনেই বলেছেন, এটি নিয়ে আমরা কিছু করতে পারব না। সরকারি পরিচয়পত্রে কলকাতার বাসস্থানের প্রমাণ দাখিল করলে তাঁকে আমরা খেলতে নিষেধ করতে পারি না। এভাবেই চলবে!
এমনকী এই ক্রিকেটের কারণে ঘরোয়া ক্লাব ক্রিকেটে কোনও ক্রিকেটার খেলতে চাইবেন না কিনা, সেই প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। তবে প্রতিটি দলে জুনিয়র ক্রিকেটারসহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও ক্রিকেটার দলে রাখতে হবে। প্রতিটি দলে মার্কি তারকা ও মেন্টরও রাখা হবে। আইপিএলের পরেই শুরু হবে বেঙ্গল প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ।