
ফ্লেমিং ও ধোনি
শেষ আপডেট: 6 April 2025 12:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গতকাল চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে এসেছিলেন বাবা পান সিং ও মা দেবকী দেবী। সেই সূত্রে দানা বাঁধতে শুরু করে জল্পনা—মহেন্দ্র সিং ধোনি কি আকস্মিক এবং অপ্রত্যাশিতভাবে আইপিএল চলাকালীনই অবসর নিয়ে ফেলবেন?
দলের কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং অবশ্য সাফ জানিয়ে দিলেন, এই নিয়ে তাঁর কোনও মন্তব্য নেই। অবসর ধোনির একান্ত ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে কিছু বলার লোক তিনি নন। নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন কোচ বলেন, ‘এমএস ধোনির কেরিয়ারে ইতি টানার আমি কেউ নই। আমার কোনও আইডিয়া নেই। আমি শুধু ওর সঙ্গে কাজ করতে পেরে আনন্দিত। ধোনি এখনও দারুণ খেলে যাচ্ছে। আমি এই নিয়ে আজকাল কিছু জিজ্ঞেসও করি না। এই নিয়ে যা কিছু প্রশ্ন, সব আপনাদের।‘
প্রসঙ্গত, এবারের আইপিএলে ধোনির ব্যাটিং অর্ডারে অনেক পরে নামা নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। প্রায়শই নয় নম্বরে নামছেন। কখনও কখনও সাতে। কেন অশ্বিনেরও পরে নামতে হচ্ছে ধোনিকে? এই নিয়ে লাগাতার প্রশ্ন উঠেছে। আগে এই বিষয়টিকে আমল দেননি ফ্লেমিং। সাফ জানিয়েছিলেন, টানা ১২ ওভার খেলা মাহির পক্ষে সম্ভব নয়। সেই সময় তিনি পেরিয়ে এসেছেন। বয়স অবশ্যই একটা ফ্যাক্টর। তার উপর হাঁটুর চোটের কারণে অনেকটা শ্লথ হয়ে পড়েছেন ধোনি। উইকেটকিপার হিসেবে প্রশ্নাতীত দক্ষতা এবং সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্বদানের ক্ষমতা—এই দুইয়ের কারণে এখনও দলে রয়েছেন ধোনি। আর এই ভূমিকা আপাতত বদলানোর সম্ভাবনাও নেই। স্পষ্ট জানিয়েছিলেন দলের কোচ।
গতকাল দিল্লির বিরুদ্ধেও কোনও অন্যথা হয়নি। আস্কিং রান রেট চড়চড় করে বাড়তে থাকা সত্ত্বেও সাতেই নেমেছিলেন এমএসডি। করেছেন ২৬ বলে ৩০। দল হেরেছে ২৫ রানে। তা সত্ত্বেও আগের অবস্থান থেকে সরতে নারাজ ফ্লেমিং। বললেন, ’ব্যাটিংয়ের সময় ১২ ওভার থেকে ১৬ ওভারের জায়গাটা কঠিন ছিল। সবার জন্যই। দেখাটা কষ্টকর হয়ে ওঠে। মাঠে নেমে খেলাও। তাই ম্যাচ ধীরে ধীরে হাত থেকে ফস্কে যায়। আমরা কৌশল বদলাই। কিন্তু লক্ষ্য সত্যি অনেকটা বড় ছিল।‘
এরপরই ধোনির ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য, ‘এমএসডির লক্ষ্য ঠিক ছিল। যখন ও ব্যাট করতে নামে তখন বল ধীরে ধীরে গ্রিপ করতে শুরু করে। আমরা জানতাম, ম্যাচের প্রথমার্ধে সবকিছু ঠিকই থাকবে, তারপর আস্তে আস্তে পিচ মন্থর হতে শুরু করবে। এই কারণে আমরা ব্যাট করে ফের বল হাতে ফায়দা নিতে চেয়েছিলাম।‘ কিন্তু আখেরে সেই ফায়দা নিতে ব্যর্থ হয়েছে সিএসকে। না ব্যাট হাতে, না বল নিয়ে—ম্যাচের রাশ কখনও নিজেদের হাতে তুলে নিতে পারেনি।