Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

বনজঙ্গলের বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গনে সাপের আঁতুড়ঘর, রাজ্যের রোনাষলে সাই, নালিশ কেন্দ্রকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় আন্তর্জাতিক (International) পরিকাঠামোর অভাব, এমন অভিযোগ বছরভর চলে আসছে। কিন্তু সেই কাঠামো কিভাবে গড়ে উঠবে, সেই নিয়েই আলোচনা। সম্প্রতি রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী (Sports Minister) অরূপ বিশ্বাস (Arup Biswas) একটি অনুষ্ঠা

বনজঙ্গলের বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গনে সাপের আঁতুড়ঘর, রাজ্যের রোনাষলে সাই, নালিশ কেন্দ্রকে

শেষ আপডেট: 27 September 2021 14:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় আন্তর্জাতিক (International) পরিকাঠামোর অভাব, এমন অভিযোগ বছরভর চলে আসছে। কিন্তু সেই কাঠামো কিভাবে গড়ে উঠবে, সেই নিয়েই আলোচনা। সম্প্রতি রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী (Sports Minister) অরূপ বিশ্বাস (Arup Biswas) একটি অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, আমাদের পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না। কিন্তু দক্ষ খেলোয়াড়েরও অভাব রয়েছে। বাংলায় সেই অর্থে খেলার পরিকাঠামো নেই। বামফ্রন্ট সরকারের আমলে জেলাগুলিতে মাঠ গড়ে উঠেছিল। এখন সেই মাঠগুলিতে খেলা হয় না। কয়েকটি মাঠে বনজঙ্গলে ভরে গিয়েছে। এই নিয়ে রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীরা উদাসীন। আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ দলে চাহাল নেই কেন, নির্বাচকদের কাছে ব্যাখ্যা চাইলেন ক্ষুব্ধ সেহওয়াগ শুধু তাই নয়, অনেক জেলায় ছিল ইন্ডোর স্টেডিয়াম, সেগুলি থাকলেও প্রতিযোগী নেই। অনাদরে পড়ে রয়েছে ওই কেন্দ্রগুলি। এই নিয়ে রাজ্য সরকার কোভিড পরিস্থিতিকে দায়ী করলেও ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কোনও ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি। বরং পাড়ার ক্লাবগুলিকে দান ক্ষয়রাতি দিয়ে তাদের সন্তুষ্ট রাখা হয়েছে। এরকমই একটি দৃষ্টান্ত জলপাইগুড়ি শহরের অদূরে বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গন। প্রায় ২৭ একর জমি নিয়ে ওই ক্রীড়াঙ্গনটি রয়েছে। যেটি ২০১৬ সালে রাজ্য সরকার অধিগ্রহণ করে সাইকে (স্পোর্টস অথোরিটি অব ইন্ডিয়া) দায়িত্ব দিয়েছিল যাতে খেলার কাঠামো গড়ে ওঠে। প্রায় ৫০ কোটি টাকা তুলেও দেওয়া হয় সাই কর্তাদের হাতে।

অনাদরে, অবহেলায় পড়ে রয়েছে বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গন। যা জলপাইগুড়ি সাইয়ের অন্তর্ভূক্ত।

তারপর পাঁচবছর কেটে গিয়েছে, জলপাইগুড়ি সাইতে ওই বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গনটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বনজঙ্গলে ভরে গিয়েছে, হয়ে উঠেছে সাপের আঁতুড়ঘর। সোমবার নব মহাকরণে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, ‘‘সাই-এর কার্যকলাপে আমরা একেবারেই সন্তষ্ট নয়, তারা অ্যাথলিট তুলে আনার কারখানা। কিন্তু তারা সদর্থকভাবে কাজ করেনি আমাদের দেওয়া জমিতে। এই দায় কে নেবে?’’ রাজ্য সরকারের বক্তব্য, ‘‘গত ৯ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকে চিঠি দিয়েছি। আমরা তিন মাস অপেক্ষা করব। কেন্দ্রীয় সরকার তার মধ্যে কোনও পদক্ষেপ না নিলে ওই স্টেডিয়াম আমরা ফিরিয়ে নিতে চাই। ক্রীড়া ক্ষেত্রে নতুন প্রতিভা তুলে আমরা সাইকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম, তারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।’’ সাইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা ভিনিথ কুমার আবার বলেছেন, এর আগে যিনি ডিরেক্টর ছিলেন, সেই মনপ্রিৎ সিং গোন্ডীই আমাদের এই বিষয়ে কোনও তথ্য দেননি, তাঁর কাছে কাগজপত্তর থাকলেও সেই সম্পর্কে আমাদের ওয়াকিবহাল করেননি, যারফলে আমি দায়িত্বে এসে কাজ বুঝতেই বুঝতেই সময় চলে গিয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি এই নিয়ে দু’বার বিশদে জানিয়েছি কর্ণেল জি এস রাঠোরকে। একমাত্র  কেন্দ্রের পূর্বতন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজেজু আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছিলেন, বাকিরা সেই চিঠির জবাব দেননি, তাই আবারও দ্বারস্থ হলাম কেন্দ্র সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের। এমনকি সাই-তে যোগাযোগ করা হলেও তারা বিষয়টিকে গুরুত্বই দেয়নি।’’ উপরন্তু জলপাইগুড়ি সাইতে নানা অবৈধ কার্যকলাপ হয়ে থাকে। অ্যাথলিটরাও নেই আবাসিক ঘরগুলিতে। তার মধ্যে সাপের উপদ্রব রয়েছে, ভয়ে যেতে চায় না সাধারণ মানুষও। কলকাতা সাই-ও টিমটিম করে চলছে। কেন্দ্র সরকারের নেতা-মন্ত্রীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সফল হয়ে আসার পরে তাঁদের প্রেরণা বলে উল্লেখ করেন। অথচ কিভাবে অ্যাথলিট উঠবে, সেই দিকে তাদের মন নেই। বরং ওড়িশা সরকার তারা নিজস্বভাবে পরিকাঠামো তৈরি করেছে আধুনিকতার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে। অথচ বাংলা পড়ে রয়েছে মান্ধাতা আমলে। সেই কারণেই প্রতিবার অলিম্পিকে বাংলার প্রতিযোগী থাকে হাতেগোনা, একদিন হয়তো কেউ থাকবেও না। তার দায় কি নেবে রাজ্য সরকার? পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'  

```