দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘আমি মায়ের পাশে বসে টিভি দেখছিলাম। আমার নাম টিভিতে দেখালো। প্রথমে বিশ্বাস করিনি। ৫ মিনিট পরে বোর্ডের তরফে ফোন আসে। নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।’
কথাগুলো ভারতের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির। ভারতীয় দলে নিজের প্রথম সুযোগ পাওয়ার প্রসঙ্গে বলা। বিরাট ২০০৮ সালে ওয়ান ডে, ২০১০ সালে টি টোয়েন্টি ও ২০১১ সালে টেস্ট দলে সুযোগ পান।
প্রথম দিন ভারতীয় দলের ড্রেসিং রুমে ঢুকতে নাকি রীতিমতো হাত-পা কাঁপছিল তাঁর। চারদিকে সব বড় বড় খেলোয়াড়দের দেখে নার্ভাস লাগছিল। এরমধ্যে যোগ হয় নতুন বিপত্তি। সবার সামনে তাঁকে কিছু বলতে বলা হয়। সব সিনিয়র খেলোয়াড়েরা তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিল। নিজের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বেশ নস্টালজিক হয়ে পড়েন বিরাট।
নতুন খেলোয়াড়দের নার্ভাস করে দেওয়ার এই পদ্ধতি বহুদিনের। সেই ট্র্যাডিশন কিন্তু এখনও চলছে। এখনও ভারতীয় দলে কোনও খেলোয়াড়ের প্রথম দিনে তাঁকে এভাবেই নার্ভাস করে দেওয়া হয়। এতে দলের এবং খেলার সম্পর্কে তাঁর মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায় বলে বিরাটের মত।
ক্রিকেট ও অন্যান্য আউটডোর খেলার উপকারীতার কথাও বলেন বিরাট। ‘পুমা’র তরফে করা এক সমীক্ষায় নাকি দেখা গিয়েছে লোকে দিনে গড়ে চার থেকে পাঁচ ঘন্টা সোশ্যাল মিডিয়াতে কাটান। এই প্রসঙ্গে বিরাট বলেন যে প্রতিটি মানুষের উচিত নিজের মতো করে সময় ভাগ করে নিতে। বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কখন সে খেলবে, কখন সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় কাটাবে সে ব্যাপারে স্পষ্ট সময়ের ভাগ থাকা উচিৎ।
মানুষের জীবনে শরীরচর্চা এবং ফিট থাকার গুরুত্বের কথাও বলেন ভারতীয় অধিনায়ক। নিজের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন যে ফিট থাকা যে শুধুই শরীরের পক্ষে ভালো তাই নয়, মনের পক্ষেও ভালো। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সুস্থ মনের সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ শরীরও খুব দরকারি। তাঁর আত্মবিশ্বাসের পেছনেও এই তরতাজা শরীরের ভূমিকা সবথেকে বেশি বলে জানান কোহলি।