দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বপ্নটা জাগিয়ে রেখেছিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার। কিন্তু পঞ্চম দিন সকালে তিনি আউট হতেই ধস নামল। বাকি তিন উইকেট নিতে বিশেষ কসরত করতে হল না সৌরাষ্ট্রের বোলারদের। ৪৪ রান আগেই শেষ হলে গেল বাংলার প্রথম ইনিংস। এই প্রথম ইনিংসের লিডে প্রথমবারের জন্য রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হল সৌরাষ্ট্র।
চতুর্থ দিনের শেষে সুযোগ ছিল দু'দলের কাছেই। বাংলার দরকার ছিল ৭২ রান। উনাদকতদের দরকার ছিল ৪ উইকেট। পঞ্চম দিনের শুরুতেই উনাদকত প্যাভিলিয়নে পাঠান অনুষ্টুপকে। ৬৩ রানে আউট হন তিনি। তাঁর সঙ্গেই বাংলার রঞ্জি জয়ের আশাও প্যাভিলিয়নে ফেরে।
চেষ্টা করেছিলেন অর্ণব নন্দী। কিন্তু বাকিরা কেউ তাঁকে সঙ্গ দিতে পারলেন না। বাকি ৩ উইকেট তাড়াতাড়ি পড়ে গেল। ৩৮১ রানে শেষ হয়ে গেল বাংলার প্রথম ইনিংস। ৪০ করে অপরাজিত থেকে গেলেন অর্ণব।
দ্বিতীয় ইনিংসে ফের ব্যাট করতে নেমেছে সৌরাষ্ট্র। কিন্তু সেটা নিছকই নিয়ম রক্ষার জন্য। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হতে গিয়েছে। বাকি সময়ে দুই ইনিংস হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়েই ফের একবার রঞ্জি হারতে হল বাংলাকে।
এই নিয়ে ১৪ বার রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল খেলল বাংলা। কিন্তু শেষ জয় এসেছিল ৩০ বছর আগে। তারপর চারবার ফাইনালে উঠে হারতে হল। রঞ্জি ফাইনালে জেতার উপায় এখনও বের করে উঠতে পারলেন না অরুণ লালের উত্তরসূরিরা।