
শেষ আপডেট: 6 July 2018 20:04
খেলার গতির বিপরীতে ১৩ মিনিটের মাথায় বেলজিয়ামের কর্নার বের করতে গিয়ে নিজের জালেই জড়িয়ে দেন ফার্ণানদিনহো। ১-০ এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। গোল খাওয়ার পরেও চলতে থাকে ব্রাজিলের আক্রমণ। কিন্তু দি ব্রুইনা, লুকাকু, হ্যাজার্ডের কাউন্টারের গতি বারবার বিপদে ফেলছিল ব্রাজিল ডিফেন্সকে। ৩১ মিনিটের মাথায় সেই কাউন্টার থেকেই প্রায় ৪০ গজ দৌড়ে দি ব্রুইনাকে ডিফেন্স চেরা পাস দেন লুকাকু। ঠাণ্ডা মাথায় মাটি ঘেঁষা জোরালো শটে গোল করে ব্যবধান
বাড়ান দি ব্রুইনা। এরপরেও অনেকবার জেসুস, কুটিনহোরা সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরমিনহো, রেনাতো অগাস্ত ও ডগলাস কোস্তা নামলে আক্রমণের ধার আরও বেড়ে যায় ব্রাজিলের। এই সময় পুরোপুরি ডিফেন্সিভ হয়ে পড়ে বেলজিয়াম। ৭৬ মিনিটের মাথায় কুটিনহোর ক্রসে দুরন্ত হেডে গোল করে ব্যবধান কমান অগাস্ত। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। ব্রাজিলের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত হলো বেলজিয়াম ডিফেন্স ও কুরতোয়ার হাতে।
অসাধারণ খেললেন হ্যাজার্ড, দি ব্রুইনা। নিজেদের
প্রতিভার বিচ্ছুরণ ঘটালেন প্রতি মুহূর্তে। অন্যদিকে টেকাঠির নিচে যেন আজ অভেদ্য ছিলেন কুরতোয়া। একের পর এক ক্রস প্রতিহত করেছেন, শট বাঁচিয়েছেন। খালি একবার ছাড়া তাঁকে বিপদে ফেলতে পারেননি নেমার, কুটিনহোরা। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডে ক্যাসেমিরোর অভাব টের পেল ব্রাজিল। পরিবর্তে নামা ফার্ণানদিনহো প্রায় খেলতেই পারলেন না।
২০০২ সালের পর বিশ্বকাপের নক আউটে ইউরোপীয়ান দলকে হারাতে পারেনি ব্রাজিল। সেই ট্রাডিশন বজায় থাকল। স্বপ্নের দল নিয়েও স্বপ্নপূরণ হলো না সেলেকাওদের। অন্যদিকে ১৯৮৬ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা রাখল রেড ডেভিলসরা। শেষ চারে তাদের সামনে ফ্রান্স। বেলজিয়ামের গতি কিন্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে ফরাসী শিবিরেও।