দ্য ওয়াল ব্যুরো: জয়ের ধারা বজায় রাখলো বার্সা। এই নিয়ে চলতি মরশুমে টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত আর্নেস্তো ভালভার্দের দল। অন্যদিকে একই দিনে সেভিয়ার কাছে হেরে আরও পিছিয়ে পড়লো রিয়েল মাদ্রিদ।
ক্যাম্প নৌতে ভিলারিয়ালের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন মেসিরা। এই ম্যাচে সুয়ারেজ ও জর্ডি আলবাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। খেলার শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল বার্সার। ১১ মিনিটের মাথায় ডেম্বেলের ক্রস থেকে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন কুটিনহো। পাঁচ মিনিট পরেই ব্যবধান ২-০ করেন আরেক ব্রাজিলিয় পাওলিনহো। প্রথম ৩০ মিনিট মেসিদের বল পজিশন ছিল ৭৮ শতাংশ। প্রথমার্ধের একেবারে শেষে গোল করে ব্যবধান বাড়ান মেসি।
দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি ইতিবাচক খেলা শুরু করে ভিলারিয়াল। ৫৪ মিনিটের মাথায় গোল করে ব্যবধান কমান নিকোলা সানসোনে। এরপরে আরও কিছু সুযোগ পায় ভিলারিয়াল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেন নি তাঁরা। ৮৭ মিনিটের মাথায় গোল করেন বার্সেলোনার ফরাসী স্ট্রাইকার ডেম্বেলে। খেলার অতিরিক্ত সময়ে মাঝমাঠ থেকে বল ধরে একার কৃতিত্বে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোল করেন ডেম্বেলে। বার্সা জেতে ৫-১ গোলে।
অন্যদিকে সেভিয়ার ঘরের মাঠে ৩-২ গোলে হারে রিয়েল মাদ্রিদ। প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় সেভিয়া। ২৬ মিনিটের মাথায় বেন ইয়েডার ও ৪৫ মিনিটের মাথায় মিগুয়েল গোল করেন। ৮৪ মিনিটের মাথায় আত্মঘাতী গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন রিয়েল অধিনায়ক সের্জিও র্যামোস। এরপর অবশ্য খেলায় ফেরে রিয়েল। ৮৭ মিনিটের মাথায় বোরহা ও অতিরিক্ত সময়ে র্যামোস গোল করে ব্যবধান কমান। কিন্তু তাতেও হার ঠেকানো যায়নি।
এই ম্যাচে জিদান যদিও রোনাল্ডো-সহ প্রথম একাদশের অনেক খেলোয়ারকেই বিশ্রাম দিয়েছিলেন। তা সত্বেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের আগে রিয়েলের এই হার তাঁদের আত্মবিশ্বাসে আঘাত করে কি না সেটাই দেখার।
অন্যদিকে ভিলারিয়ালকে হারানোর পর গত মরশুম থেকে টানা ৪৩ ম্যাচ অপরাজিত বার্সা। বাকি আর দুটো ম্যাচ। জিতলেই লা লিগার ইতিহাসে প্রথম দল হিসাবে গোটা টুর্নামেন্ট অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়বে মেসিরা। লা লিগার ইতিহাসে 'ইনভিন্সিবল' দলের তকমা জুড়বে তাঁদের মুকুটে।