
শেষ আপডেট: 19 November 2023 19:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বোলিংয়ের সামনে ভারত থামল ২৪০ রানে। ফাইনালের মঞ্চে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপকে ২৫০ রানের মধ্যে আটকে দেওয়ার কৃতিত্ব যেমন আছে অজি বোলিংয়ের, তেমনই প্রশংসার দাবি রাখছে ফিল্ডিং! ভারতের ওপর স্নায়ুর চাপ তৈরি করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিল অজি ফিল্ডাররা।
টস জিতে এদিন প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তিনি যে খুব একটা ভুল সিদ্ধান্ত নেননি তা ভারতের স্কোর দেখেই বোঝা যাচ্ছে। শুধু বোলিং, ব্যাটিং ভাল করলেই চলে না, একটা ম্যাচে ফিল্ডিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে তা আমদাবাদে বুঝিয়ে দিলেন অস্ট্রেলিয়ানরা।
শুরুটা ভালই করেছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ১০ ওভারে তাঁর সৌজন্যেই বড় রান তুলেছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড এদিন রোহিত শর্মার ক্যাচ ধরলেন, তা মনে করিয়ে দিলেন '৮৩-র বিশ্বকাপে কপিল দেবকে। ৪৭ রানের মাথায় বড় শট খেলতে গিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু বল ঠিকঠাক না লাগায় আকাশে উড়ে যায়। হেড কভার পয়েন্ট থেকে প্রায় ১১ মিটার দৌড়ে গিয়ে বলটা তালুবন্দি করেন। ১৯৮৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্যারিবিয়ান তারকা রিচার্ডসের ক্যাচ দৌড়ে ধরেছিলেন কপিল। রোহিত আউট হতেই ভারতের রানের গতির গ্রাফ নামতে শুরু করে।
শুধু বোলাররা নন, অস্ট্রেলিয়ার সব ক্রিকেটাররা ঝাঁপিয়ে পড়েন বল বাঁচাতে। জস ইংলিস যেমন উইকেটের পিছনে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তেমনই ডেভিড ওয়ার্নার, প্যাট কামিন্স, ম্যাক্সওয়েলরা সারা মাঠজুড়ে দাপিয়ে বেরিয়েছেন।
ডেভিড ওয়ার্নার এদিনের ম্যাচে বাউন্ডারি লাইনে যেভাবে ফিল্ডিং করলেন তা বুঝিয়ে দিলেন বয়েস শুধু সংখ্যা মাত্র। প্রত্যেকটি বল বাঁচানোর জন্য নিজের শরীর ছুড়ে দিয়েছেন মাঠে।
১০ ওভারে মধ্যে যা বাউন্ডারি হওয়ার হয়েছে। তারপর থেকে ভারতীয় ব্যাটারদের জাল পেতে আটকে রেখেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা। ১০ থেকে ৪০ ওভারের মধ্যে মাত্র ২টি বাউন্ডারি হয়েছে। পরে মহম্মদ শামি একটি চার মারেন।
ওয়ার্নাররা আজ মনে করিয়ে দিলেন জন্টি রোডসের আমলের দক্ষিণ আফ্রিকার দলকে। ফাইনালে কমপক্ষে ৪০ রান বাঁচিয়ে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া। এই আটকানো রানই পার্থক্য তৈরি করে দিয়েছে ইনিংসে।