
শেষ আপডেট: 16 December 2022 17:47
কাতার
রবিবার লুসেইল স্টেডিয়ামে ইতিহাস তবে ফিরছে লিওনেল মেসির হাত ধরে? মারিও কেম্পেস ও দিয়েগো মারাদোনা যা পেরেছেন, যার জন্য তাঁরা বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন। তাঁদের নামও অমর হয়ে গিয়েছে বিশ্বকাপ জিততে পেরে। লিও মেসির হাতে শুধু কাপ (Qatar world cup 2022) ওঠার অপেক্ষা। ব্যস, দরকার একটা জয়, তা হলেই আর্জেন্টিনার (Argentina) মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। সারা মেসি প্রেমীদের গর্বে বুক ফুলে উঠবে।
এর আগে যে দু’বার আর্জেন্টিনা কাপ জিতেছিল, সেই ১৯৭৮ ও ১৯৮৬ সালে তারা ফাইনালে পড়েছিল হোম জার্সি। হোম জার্সি মানে চিরাচরিত আকাশী নীল ও সাদা জার্সি। যে জার্সি পরে মাঠে আসেন সমর্থকরা। এবারও লুসেইলে সেই ধরনের জার্সি পরেই মাঠে নামবেন মেসি, আলভারেজ, অ্যালিস্টাররা।
ইতিহাস বলছে হোম জার্সি পরলেই সেটি লাকি হয়ে যায় আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে (Lucky home jersey)। যে দু’বার তারা ফাইনালে উঠে হেরে গিয়েছিল, সেইসময় পরেছিল অ্যাওয়ে নীল জার্সি। ১৯৯০ এবং ২০১৪ মারাকানা স্টেডিয়ামে ফাইনালে জার্মানির কাছে তারা হারে অ্যাওয়ে জার্সি পরেই।
কাতারে সেই পয়া জার্সি পরেই মাঠে নামবে লিওনেল স্কালোনির দল। ইতিমধ্যেই ফিফার টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠকে ফাইনালে আর্জেন্টিনার হোম জার্সি চূড়ান্ত হয়েছে। ফ্রান্সও তাদের হোম জার্সি পরবে। হোম জার্সির সঙ্গে সাদা শর্টস এবং সাদা মোজা পরবেন মেসিরা। এবারই একই পোশাকে তাঁরা কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডস এবং সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন। দল যে সাফল্য পেয়েছিল, সেটিও সবাই জানে।
এমনিতেই ফুটবলাররা সংস্কার বশত তাঁদের জার্সি পরেন। এমনকি প্র্যাকটিসের সময়ও সেই সংস্কার বজায় রাখেন। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো ম্যাচে নিজেদের পছন্দের জার্সি পরতে পারাও দারুণ তাৎপর্যের বিষয়।
একবারই জার্সি পরা নিয়ে খুব বিতর্ক হয়েছিল। ১৯৫০ সালের ব্রাজিলের মারাকানায় হার মানে সেলেকাওরা। সেই ম্যাচে ব্রাজিল তাদের হলুদ জার্সি না পরে সাদা জার্সি গায়ে দিয়ে খেলতে নামে। যে হারকে মারাকানজো বলে অভিহিত করা হয়। তারপর থেকে ব্রাজিল কোনওদিন বিশ্বকাপে সাদা জার্সি পরেনি। তার মানে জার্সিতেও দলের ভাগ্য বদলায়।
এলএম ১০ বনাম কেএম ১০-র লড়াই ফাইনালে, কাকে সমর্থন? সমস্যায় পড়েছে পিএসজি!