
অম্বাতি রায়ডু
শেষ আপডেট: 10 April 2025 17:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: থালার ফ্যান ছিলাম। থালার ফ্যান আছি। থালার ফ্যান থাকব। কে কী বলল, তাতে কিছুই এসে যায় না। এই ভাষাতেই নিন্দুকদের জবাব দিলেন অম্বাতি রায়ডু।
‘থালা’ বা ‘থালাইভা’। বাংলায় যার অর্থ নেতা। ক্রিকেটে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে এই বিশেষণ জুড়ে গিয়েছে। নিজে ছয় মরশুম চেন্নাই সুপার কিংসে কাটিয়েছেন রায়ডু। খেলেছেন ধোনির অধিনায়কত্বে। এরপর অবসর নিলেও এমএসডির ছত্রচ্ছায়া থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি প্রাক্তন ক্রিকেটার। সিএসকে এবং ধোনি নিজে লাগাতার অফ ফর্মের মধ্য দিয়ে গেলেও কমেন্ট্রি বক্সে বসে প্রাক্তন সতীর্থ ও অধিনায়কের সমর্থনে লাগাতার সরব হয়েছেন রায়ডু।
এই নিয়ে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঢেউ ওঠে। ছড়াতে থাকে মিম। ক্রিকেট অনুরাগীদের অনেকেই রায়াডুর একবগগা ধোনি-ভক্তি নিয়ে মুখ খোলেন। এই নিয়ে এবার পাল্টা দাবি ছুড়ে দিলেন অম্বাতি রায়ডু। সোশ্যাল মিডিয়া এক্স (আগে যার নাম ছিল টুইটার)-এ তিনি লেখেন, ‘আমি থালার সমর্থক ছিলাম, আছি, থাকব। কে কী ভাবল তাতে কিছু এসে যায় না। তাঁদের সমালোচনা এক শতাংশ ফারাক আনবে না। তাই পেইড প্রোমোশনে টাকা নষ্ট না করে কোনও চ্যারিটিতে দান করুন।‘
প্রসঙ্গত, গত পরশু মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ‘গিরগিটি’র সঙ্গে তুলনা করেন সিধু। পাঞ্জাব কিংস বনাম চেন্নাই সুপার কিংসের লড়াইয়ে কমেন্ট্রি বক্সে বসেছিলেন অম্বাতি রায়ডু ও নভজ্যোত সিং সিধু। যেখানে দুজনেই কথা চালাচালির ফাঁকে আচমকা রসিকতার ছলে ব্যক্তিগত আক্রমণে জড়িয়ে পড়েন।
এখানেই শেষ নয়। কিছুদিন আগেও সঞ্জয় বাঙ্গারের সঙ্গে রোহিত শর্মাকে কেন্দ্র করে বিবাদে লিপ্ত হন রায়ডু। তারপরই সিধুর সঙ্গে ঝামেলা। যেটা শুরু হয় রায়ডু্র একটি মন্তব্যের জেরে। কথায় কথায় তিনি বলে বসেন, ‘আগে একটি টিমকে সমর্থন করতেন। এখন দল বদলে ফেলেছেন। আপনি একজন গিরগিটি।‘ এই অভিযোগ, বলা বাহুল্য, সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি সিধু। নাম না করে ধোনিকে ইঙ্গিত করেই বলে বসেন, ‘এই সংসারে যদি কেউ গিরগিটির মতো আচরণ করে থাকে, তাহলে সেটা তোমার আরাধ্যদেবতা।‘
সঞ্জয় বাঙ্গারের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের কেন্দ্রে অবশ্য ধোনি নন। ছিলেন রোহিত। যিনি চলতি মরশুমে প্রথম একাদশে সরাসরি সুযোগ পাচ্ছেন না। খেলছেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে। যে কারণে নিজের ব্যাটিং ছাড়া বেশিরভাগ সময়ই ডাগ আউটে কাটাচ্ছেন মুম্বইয়ের প্রাক্তন অধিনায়ক।
বাঙ্গার মুম্বই শিবিরের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন এবং জানান, রোহিতের উচিত মাঠে নেমে খেলা। যাতে অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার বিশেষ পরামর্শদাতা হিসেবে নিজের ইমপুট দিতে পারেন।
এই নিয়েই মুখ খোলেন রায়ডু। বলেন, ‘আমার মনে হয় না হার্দিকের রোহিতের পরামর্শ দরকার। একজন অধিনায়ককে সব সময় একলা ছেড়ে দেওয়া উচিত। ধোনির আশাপাশে দশজন ঘুরে ঘুরে ইমপুট দিত না। রোহিতকেও দেয়নি কেউ। তাহলে হার্দিক পরামর্শ নিতে যাবে কেন?’
এরপরই রুখে দাঁড়ান সঞ্জয় বাঙ্গার। বলেন, ‘তোমার এমনটা মনে হতেই পারে। কারণ তুমি কোনওদিন আইপিএল জেতা দলকে নেতৃত্ব দাওনি। কিন্তু আমরা এখানে এমন একজনকে (রোহিত শর্মা) নিয়ে কথা বলছি যিনি একাধিক আইপিএল খেতাব জিতেছেন।‘