
রিঙ্কু সিং
শেষ আপডেট: 23 March 2025 12:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নামলেন ছ’নম্বরে। খেললেন মাত্র ১০টি বল। আউট হলেন ১২ রানে। গতাকাল শনিবারের রাতে ইডেন গার্ডেনসে (Eden Gardens) রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (RCB) বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সের (KKR) শোচনীয় পরাজয়ের কৈফিয়ত হিসেবে অজিঙ্কা রাহানে (Ajinkya Rahane) যাই বলুন না কেন, টিমের পিঞ্চহিটার রিঙ্কু সিংকে (Rinku Singh) ব্যাটিং অর্ডারে নীচে নামানোর রণকৌশল যে ব্যুমেরাং হয়েছে তা কার্যত মেনে নিলেন নাইট অধিনায়ক। সরাসরি ভুল স্বীকার না করলেও বলে দিলেন আগামি দিনে কেকেআর সমর্থকেরা হয়তো রিঙ্কুকে আরও উপরের দিকে খেলতে দেখতে পারেন।
নাইট রাইডার্স ও ভারতীয় দল—দুটো টিমের হয়েই ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে ছন্দে রয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার। দেখিয়েছেন ধারাবাহিকতা ও পরিণতি। তা সত্ত্বেও পরপর উইকেট খোয়ানোর পরে কেন রিঙ্কুকে আগেভাগে নামানো হল না?
এই নিয়ে ড্রেসিংরুমের আলোচনার বিষয়টি তুলে ধরেছেন রাহানে। বলেছেন, ‘ওকে ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশনের জন্য কথা হচ্ছিল। কিন্তু কখনও কখনও পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজ করতে হয়। তারপর কে কোথায় খেলবে তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা। আমরা ভেবেছিলাম অঙ্গকৃশ রঘুবংশীই সবচেয়ে ভাল অপশন। কারণ, তখনও ১০ থেকে ১১ ওভার বাকি ছিল যখন ও ব্যাট করতে নামে। রিঙ্কুর কথাও মাথায় ছিল। কিন্তু ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও আমি দুজনেই আউট হওয়ার পর দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হত। তখনই ঠিক হয় অঙ্গকৃশ মাঠে নামবে।‘
যদিও এতকিছুর বাদেও রিঙ্কু যে ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পেতে চলেছেন, তা সাফ করে দেন রাহানে। বলেন, ‘যেমনটা বলেছি, রিঙ্কু সত্যি খুব ভাল খেলছে এবং আপনারা ওকে অনেক আগে ব্যাট করতে দেখতে পাবেন।‘
প্রসঙ্গত, নাইটদের করা ১৭৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল আরসিবি। গত মরশুমে কেকেআরের ‘ঘরের ছেলে’ সল্ট বিধ্বংসী মেজাজে রান তুলতে থাকেন। বিরাট কোহলির ভূমিকা ছিল অ্যাঙ্করের। শেষ পর্যন্ত ৫৯ রানে অপরাজিত রয়ে যান বিরাট। মূলত পাওয়ার প্লে-তে তোলা ৮০ রানের সুবাদেই ঠিক হয়ে যায় ম্যাচের মোড় কোনদিকে ঘুরতে পারে। আগে আইপিএলের ইতিহাসে মাত্র একবারই প্রথম ছ’ওভারে এর চেয়ে বেশি রান তুলেছিল আরসিবি।
অন্যদিকে রাহানে সল্ট-কোহলির জুটিকে ভাঙার সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যান। বল তুলে দেন বরুণ চক্রবর্তীর হাতেও। কিন্তু নাইটদের রহস্য স্পিনারের সমস্ত রহস্য ভেঙে খান খান করেন ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যান। চতুর্থ ওভারে বরুণ বল করতে এলে নেন ২১ রান। এরপর তিন উইকেট হারালেও ম্যাচের রাশ কখনওই বেঙ্গালুরুর হাত থেকে সরে যায়নি। খুব সহজেই টার্গেটে পৌঁছে যায় আরসিবি।