
শেষ আপডেট: 9 April 2024 20:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় পাঁচবছর ধরে এই সিনেমার শুটিং হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কলাকুশলীদের ফুটবল খেলা শেখাতে হয়েছে পরিচালক অমিত শর্মাকে। ক্রিকেট নিয়ে একাধিক সিনেমা হয়েছে। কিন্তু ফুটবল নিয়ে সিনেমা নেই বললেই চলে।
ভারতীয় ফুটবলের জনক নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছিল গোলন্দাজ। এবার আরও বৃহত্তর ক্যানভাসে সিনেমার মূল পরিচালক ও প্রযোজক বনি কাপুর ময়দান সিনেমাকে দিনের আলো দেখাতে চলেছেন। ভারতীয় ফুটবলে কোচ হিসেবে সম্মানিত ছিলেন রহিম সাহেব। তিনি ১৯৬২ সালে এশিয়ান গেমসে ভারতের কোচ ছিলেন। সেই সোনার দলের সদস্য ছিলেন চুনী-পিকে-বলরাম ভারতীয় ফুটবলের থ্রি মাস্কেটিয়ার্স। পাশাপাশি ছিলেন নেভিল ডি’সুজাও। তিনিও সেই দলের রত্ন ছিলেন।
ময়দান সিনেমায় ১৯৬২ সালের এশিয়ান গেমস ফুটবলের ফাইনালকে চিত্রায়িত করা হয়েছে। যে টুর্নামেন্টের সময় কোচ রহিম সাহেব দূরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন তাঁর সময় শেষ হয়ে আসছে। তাই ফুটবলারদের কাছে ওই এশিয়াডের সোনা উপহার চেয়েছিলেন। দলের ফুটবলাররা দক্ষিণ কোরিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেই খেতাব এনে দিয়েছিলেন।
সিনেমায় চুনীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চৈতী ঘোষালের পুত্র অমর্ত্য, যাঁর ফুটবল নিয়ে একটা প্রাথমিক চর্চা ছিলই। এমনকী নেভিলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আরিয়ান। তিনিও বাংলা ফিলম জগতে পরিচিত মুখ। মেসি নামে একটা সিনেমায় তিনি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।
১৯৫১ সালে দিল্লিতে রহিম সাহেবের কোচিংয়ে ভারত হারিয়েছিল ইরানকে। ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিক্সে চতুর্থ স্থান দখল করে ভারত। ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর রহিম সাহেব ভারতীয় দলের কোচের দায়িত্বে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি দু’বার এশিয়ান গেমসে সেরা করেছিলেন দলকে।
রহিম সাহেব ভারতীয় ফুটবলে ঠিক কতটা জায়গা জুড়েছিলেন, সেটাই পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন অজয় দেবগন। তিনি কেন কিংবদন্তি অভিনেতা, আরও একবার বুঝিয়েছেন। ভারতের এই প্রবাদপ্রতীম কোচের জেদ, তাঁর স্বপ্নকে সেলুলয়েডে বাস্তবায়িত করেছেন অজয়।