
চার্চিল ব্রাদার্স
শেষ আপডেট: 30 April 2025 13:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চার্চিল ব্রাদার্সের (Churchil Brothers) কাছ থেকে আই লিগ ট্রফি (I League Trophy) ফেরত চাইল অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)। এর আগে সুইৎজারল্যান্ডের কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট (CAS) ট্রফি দেওয়ার নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়ার পরেও ফেডারেশনের তরফে ট্রফি দেওয়া হয় গোয়ার এই ক্লাবকে। এরপর রবিবার আদালতের তরফে ফেডারেশনকে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত চার্চিল ব্রাদার্সকে চ্যাম্পিয়ন (Champion) ঘোষণা করা যাবে না।
পাশাপাশি আদালত কোনও ধরনের আনুষ্ঠানিক পদক বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু, সেই নির্দেশ অগ্রাহ্য করেই চার্চিল ব্রাদার্সের ফুটবলারদের হাতে ট্রফি তুলে দেন ফেডারেশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল এম সত্যানারায়ণ (M Satyanarayan)। তারপর আবার এআইএফএফ-এর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সিএএস-এর রায় সংক্রান্ত খবর তাদের কাছে পৌঁছয়নি। কারণ, রবিবার সংস্থার সচিবালয় বন্ধ ছিল।
এরপরেই, সোমবার ফেডারেশন বাধ্য হয়ে চার্চিল ব্রাদার্সকে ট্রফি ফেরত দেওয়ার জন্য চিঠি পাঠায়। ফেডারেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা বাধ্য আদালতের নির্দেশ মেনে চলতে। তাই আমরা চার্চিল ব্রাদার্সকে ট্রফি ফেরত দিতে লিখিতভাবে অনুরোধ করেছি। আদালতের রায় অনুযায়ী আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’ ফেডারেশনের এই নির্দেশের পর জরুরি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন গোয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাইটানো ফার্নান্ডেজ।
৪০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ থেকেই এবারের আইলিগ শেষ করেছে চার্চিল ব্রাদার্স। ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইন্টার কাশি (Inter Kashi)। চার্চিলের শেষ ম্যাচের দিনই অ্যাপিল কমিটির বৈঠকের পর তাদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।
তবে ফেডারেশনের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি ইন্টার কাশি। ক্লাবের তরফে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টে মামলা করা হয়।
প্রসঙ্গত এই সমস্যার সূত্রপাত ইন্টার কাশি এবং নামধারি এফসি ম্যাচকে কেন্দ্র করে। সেই ম্যাচে ০-২ গোলে হেরে গিয়েছিল হাবাসের প্রশিক্ষণাধীন ইন্টার কাশি। কিন্তু ম্যাচের পর ফেডারেশনের কাছে অভিযোগ জানায় কাশি। তাদের দাবি ছিল, ম্যাচে অবৈধভাবে ক্লেডসন কার্ভালহো দ্য সিলভাকে খেলানো হয়েছে। চারটে হলুদ কার্ড থাকায় যেখানে তাঁর নির্বাসনে থাকার কথা।
ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি সেই ম্যাচের তিন পয়েন্ট ইন্টার কাশিকে দেয়। কিন্তু তারপর সেই সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। তাতে প্রতিবাদ জানায় কাশি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। অর্থাৎ, সেই তিন পয়েন্ট হাবাসের দলকে দেওয়া হয়নি। ওই তিন পয়েন্ট পেলে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষেই থাকত কাশি, আর চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উঠত তাদের হাতেই।