দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনেকদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল, কিন্তু প্রমাণের অভাবে সবটাই ভেস্তে যায়। কিন্তু চেন্নাইয়ের সাত মহিলা অ্যাথলিট কোচ পি নাগারাজনের বিরুদ্ধে সরব হতেই তাঁকে পুলিশী জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে। সব থেকে বড় কথা, তিনি মেয়েদের ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার নামে যৌন হয়রানি করতেন। এই নিয়ে বহুবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ পাত্তা দেয়নি। অবশেষে ওই কোচের বিরুদ্ধে পুলিশী প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, কোচকে গ্রেফতারও করা হতে পারে।
১৯ বছরের এক অ্যাথলিট প্রথম অভিযোগ তুলেছেন ওই কোচের নামে। গত মে মাসে হস্টেলে একা থাকাকালীন ওই অ্যাথলিটকে যৌন হেনস্থা করে দলে সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার নামে। এমনকি এরপরেও আরও মহিলা অ্যাথলিটদের অঙ্গ স্পর্শ করতেন ওই কোচ। প্রতিবারই সাক্ষ্যের অভাবে সেটি বানচাল হয়ে গিয়েছে।
তারপরেই পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে একজন সাক্ষ্য রেখে ওই কোচের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে। তাতেই জালে ধরা দিয়েছেন নাগারাজন নামে ওই ৫৯ বছর বয়সী তামিলনাড়ু কোচ। যিনি সাইতেও কোচিং করিয়েছেন সুনামের সঙ্গে। তিনি অনেক কিশোরীদেরও একইভাবে হেনস্থা করেছেন, তাই তাঁর নামে পকসো আইনে মামলা করা হয়েছে।
সবথেকে বড় বিষয়, চেন্নাইয়ের সিবিএসসি স্কুলের অনেক শিক্ষার্থিদের সঙ্গে এমন কাজ তিনি করেছেন গত সাতবছর ধরে, সেই নিয়ে অভিযোগ জানানো হলেও কেন তা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, সেটিও খতিয়ে দেখছে তামিলনাড়ু পুলিশ। তারা বিষয়টি শেষ দেখে ছাড়বে বলে জানিয়েছে। কেউ এর সঙ্গে জড়িত কিনা, তাও দেখা হবে।
ওই সিবিএসসি স্কুলে শিক্ষার্থিদের মার্শাল আর্টও শেখাতেন। সেটি করতে গিয়েও তিনি মহিলাদের নানাভাবে বিরক্ত করতেন। প্রথমে কেউ পাত্তা না দিলেও পরে বিষয়টি বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। তারপরই পুলিশ সাক্ষ্য রেখে তাঁর বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়িয়েছিল, তাতে দেখা গিয়েছে ওই কোচের চারিত্রিক সমস্যা রয়েছে।