ক্লান্তি, হজমের সমস্যা, ওজন বেড়ে যাওয়া বা কাজে মন বসতে না পারা- এর পিছনে থাকতে পারে রোজকার এই পাঁচটি ভুল অভ্যাস। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, আপনার মধ্যেও এই অভ্যাসগুলো আছে কি না।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 10 February 2026 12:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাল থাকতে আমরা কত কিছুই না করি, ডায়েট, ব্যায়াম, ওষুধ, ভিটামিন। অথচ রোজকার জীবনে এমন কিছু অভ্যাস আমাদের অজান্তেই গড়ে ওঠে, যেগুলো ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি করে (daily habits harming health)। আশ্চর্যের বিষয়, এই কাজগুলো আমরা প্রায় সবাই করি এবং বেশিরভাগ সময় বুঝতেই পারি না যে সেগুলিই আমাদের অসুস্থতার বড় কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ক্লান্তি, হজমের সমস্যা, ওজন বেড়ে যাওয়া বা কাজে মন বসতে না পারা- এর পিছনে থাকতে পারে রোজকার এই পাঁচটি ভুল অভ্যাস। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, আপনার মধ্যেও এই অভ্যাসগুলো আছে কি না।

খিদে না পেলেও খাওয়া: অনেকেরই অভ্যাস সময় হলেই খাওয়া, খিদে থাকুক বা না থাকুক। অফিসের চাপ, অভ্যাস বা একঘেয়েমি থেকেও অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় খাওয়া হয়ে যায়। কিন্তু এতে শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ক্যালোরি ঢুকে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে ওজন বাড়ে, হজমের সমস্যা তৈরি হয় এবং শরীর খারাপের প্রবণতাও বেড়ে যায়।

দেরিতে ঘুমোনো: রাতে দেরি করে ঘুমোনো এখন অনেকেরই রুটিন। মোবাইল দেখা, সিরিজ বা কাজের চাপ- সব মিলিয়ে ঘুমের সময় পিছিয়ে যায়। কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ঠিকভাবে বিশ্রাম পায় না। এর প্রভাব পড়ে কাজে, মনোযোগে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাতেও। তাই শরীর ভালো রাখতে চেষ্টা করুন তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যাওয়ার।

একই সময়ে অনেক কাজ করা: একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে পারা সকলের পক্ষে সম্ভব নয়। তবুও আমরা অনেকেই একই সময়ে ফোন দেখা, কাজ করা, খাওয়া—সব একসঙ্গে করতে চাই। এর ফলে কাজে ভুল হয়, মানসিক চাপ বাড়ে এবং শরীর ও মন দু’টিই ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

রাত ৯টার পরে খাওয়াদাওয়া: ন'টার পরে ভারী খাবার খেলে তা হজম করতে শরীরের বেশি সময় লাগে। এতে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও বদহজমের সমস্যা বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের খাবার যত তাড়াতাড়ি খাওয়া যায়, ততই শরীরের পক্ষে ভালো। এতে পরদিন সকালে পেট পরিষ্কার থাকে এবং শরীর হালকা লাগে।

অতিরিক্ত ব্যায়াম করা: ব্যায়াম শরীরের জন্য উপকারী, এতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ব্যায়াম করলে উল্টো ফল হতে পারে। অতিরিক্ত ব্যায়ামে শরীর দুর্বল লাগে, ক্লান্তি বাড়ে এবং আঘাত পাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। তাই নিজের শরীরের ক্ষমতা বুঝে নিয়মিত কিন্তু সীমিত ব্যায়ামই সবচেয়ে ভালো।