Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

উত্তর আটলান্টিকে ভাসছে টাইটানিক, প্রথম ও শেষ সমুদ্রযাত্রার বিরল কিছু ছবি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শক্তিশালী গ্রীক দেবতা টাইটানের নামেই রাখা হয়েছিল ব্রিটিশ প্রমোদতরী টাইটানিকের নাম। ৭৫ লক্ষ ডলারের বিনিময়ে পাঁচ বছর ধরে বানানো হয়েছিল ২৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজটি। ওজন ছিল ৬০ হাজার টন। ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল, ইংল্যান্ডের সাউদাম

উত্তর আটলান্টিকে ভাসছে টাইটানিক, প্রথম ও শেষ সমুদ্রযাত্রার বিরল কিছু ছবি

শেষ আপডেট: 17 August 2020 15:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শক্তিশালী গ্রীক দেবতা টাইটানের নামেই রাখা হয়েছিল ব্রিটিশ প্রমোদতরী টাইটানিকের নাম। ৭৫ লক্ষ ডলারের বিনিময়ে পাঁচ বছর ধরে বানানো হয়েছিল ২৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজটি। ওজন ছিল ৬০ হাজার টন। ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল, ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দর থেকে আমেরিকার নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল টাইটানিক। সেটাই ছিল টাইটানিকের প্রথম ও শেষ সমুদ্রযাত্রা। উত্তর আটলান্টিকে ভাসা হিমশৈলে ধাক্কা খেয়ে ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল ভোর রাতে ডুবে গিয়েছিল 'আরএমএস টাইটানিক'।  টাইটানিক সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার এক ঘণ্টা চল্লিশ মিনিট পর, দুর্ঘটনাস্থলে এসেছিল ‘কারপাথিয়া’ নামে একটি জাহাজ। হিমশীতল সমুদ্রের বুকে লাইফবোটে ভেসে বেড়ানো ৭০৫ জন যাত্রীকে উদ্ধার করেছিল জাহাজটি। অভিশপ্ত সেই রাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৫০০ জন হতভাগ্য যাত্রী। আজ দেখব টাইটানিকের যাত্রাপথের বিরল কিছু ছবি।  ১৯১২ সালের এপ্রিল মাস শুরু হয়েছে। উত্তর আয়াল্যান্ডের বেলফাস্ট ডকে দাঁড়িয়ে আছে টাইটানিক। প্রস্তুত হচ্ছে তার প্রথম ও শেষ সমুদ্র যাত্রার জন্য।   . এপ্রিল মাসের ২ তারিখ। বেলফাস্ট ছেড়ে টাইটানিক চলেছে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দরের দিকে। যেখান থেকে যাত্রীরা  জাহাজে উঠবেন।  ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দরে দাঁড়িয়ে আছে টাইটানিক। জাহাজে আছেন ২২০৫ জন যাত্রী। বন্দরে উপস্থিত ছিলেন প্রচুর মানুষ। কেউ এসেছিলেন চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী টাইটানিককে দেখার জন্য। কেউ এসেছিলেন জাহাজে থাকা প্রিয়জনদের বিদায় সম্ভাষণ জানাবার জন্য।  ১০ এপ্রিল ১৯১২। সাউদাম্পটন বন্দর ছেড়ে চিরতরে চলে যাচ্ছে টাইটানিক। যাত্রা শুরুর পরে তোলা ছবি। টাইটানিকের প্রথম শ্রেণীর ড্রইংরুম। যাত্রা শুরুর পরে তোলা প্রথম শ্রেণীর লাউঞ্জের ছবি। প্রথম শ্রেণীর একক যাত্রীদের বার্থের জন্য দিতে হয়েছিল ৩০ পাউন্ড যা বর্তমান মূল্যে দুই লাখ টাকার কাছাকাছি। প্রথম শ্রেণীর কেবিনের যাত্রীদের দিতে হয়েছিল ৮৭০ পাউন্ড যা আজকের মূল্যে প্রায় পঁচাশি লক্ষ টাকার সমান। দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্রীদের ডাইনিং রুম। দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্রীরা দিয়েছিলেন ১৩ পাউন্ড। যা আজকের হিসাবে প্রায় এক লক্ষ টাকার সমান। তৃতীয় শ্রেণীর ডাইনিং রুমে প্রথম দিনের লাঞ্চ। তৃতীয় শ্রেণীর যাত্রীরা দিয়েছিলেন সাত পাউন্ড। যা আজকের মূল্যে প্রায় আটষট্টি হাজার টাকার সমান।
বরফ জমা আটলান্টিকের সেই অভিশপ্ত স্থান। এখানেই ডুবে গিয়েছিল টাইটানিক। ডুবে যাওয়ার আগের দিনে ( ১৪ এপ্রিল) তোলা ছবি। দূরে দেখা যাচ্ছে দুটি হিমশৈল। অনুমান করা হয় এই সেই ঘাতক হিমশৈল। যার সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর ডুবে গিয়েছিল টাইটানিক। টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পরের দিন সকালে তোলা ছবি। ছবিটি উদ্ধারকারী জাহাজ কারপাথিয়া থেকে তোলা। জাহাজের নাবিকরা হিমশৈলটির নীচের অংশে লাল রঙ দেখতে পেয়েছিলেন। সেই রঙ টাইটানিকের। ওই অংশেই ধাক্কা মেরেছিল টাইটানিক।  ১৫ এপ্রিল সকাল। লাইফবোটে চড়ে টাইটানিকের বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা এগিয়ে আসছেন উদ্ধারকারী জাহাজের দিকে। কারপাথিয়া জাহাজে অভিশপ্ত যাত্রা থেকে বেঁচে ফেরা যাত্রীরা। দেওয়া হয়েছে নতুন পোশাক। গায়ে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কম্বল। বাবার সঙ্গে জাহাজে ছিল দুই ফরাসি ভাই মাইকেল ও এডমন্ড। টাইটানিক ডুবে যাওয়ার কিছু আগে তাদের বাবা লাইফবোটে দুই ভাইকে উঠিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু নিজে উঠতে পারেননি। প্রাণ হারিয়েছিলেন সেই অভিশপ্ত রাতে। জাহাজে এদের মা ছিলেন না। তিনি ছিলেন ফ্রান্সে। পরে কাগজে ছবি দেখে তিনি চিনতে পারেন তাঁর দুই ছেলেকে। ফ্রান্সে নিয়ে যান কয়েকমাস পরে।  টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পরের দিনের ছবি।  টাইটানিকের মালিক হোয়াইট স্টার লাইন কোম্পানির লন্ডনের অফিসের সামনে খবরের কাগজ বিক্রি করছে এক কিশোর। কাগজের হেডলাইনে টাইটানিক ট্রাজেডি।

```