Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: পয়লা ওভারেই ৩ উইকেট, স্বপ্নের আইপিএল অভিষেক! কে এই প্রফুল্ল হিঙ্গে?ইরান-মার্কিন বৈঠক ব্যর্থ নেতানিয়াহুর ফোনে! ট্রাম্পের প্রতিনিধিকে কী এমন বলেছিলেন, খোলসা করলেন নিজেইWeather: পয়লা বৈশাখে ঘামঝরা আবহাওয়া! দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা, আবার কবে বৃষ্টি?হরমুজ ঘিরে ফেলল মার্কিন সেনা! ইরানের 'শ্বাসরোধ' করতে ঝুঁকির মুখে আমেরিকাও, চাপে বিশ্ব অর্থনীতি'ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করা যাবে না', আইপ্যাক ডিরেক্টরের গ্রেফতারিতে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকেরভোটের মুখে ইডির বড় পদক্ষেপ! কয়লা পাচার মামলায় গ্রেফতার আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলমহাকাশে হবে ক্যানসারের চিকিৎসা! ল্যাবের সরঞ্জাম নিয়ে পাড়ি দিল নাসার ‘সিগনাস এক্সএল’সঞ্জু-রোহিতদের পেছনে ফেলে শীর্ষে অভিষেক! রেকর্ড গড়েও কেন মন খারাপ হায়দ্রাবাদ শিবিরের?আইপিএল ২০২৬-এর সূচিতে হঠাৎ বদল! নির্বাচনের কারণে এই ম্যাচের ভেন্যু বদলে দিল বিসিসিআইWest Bengal Election 2026 | হার-জিত ভাবিনা, তামান্না তো ফিরবেনা!

বাংলায় তৈরি ‘কুরুক্ষেত্র’ কাল আসছে নেটফ্লিক্সে! কেন একরাশ প্রত্যাশা জাগাচ্ছে এই অ্যানিমেশন সিরিজ?

উজান গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত অ্যানিমেশন সিরিজ ‘কুরুক্ষেত্র’ (Kurukshetra)। পরিবেশনায় নেটফ্লিক্স (Netflix)। প্রায় দু’বছরের পরিকল্পনা ও পরিশ্রমের ফসল আগামিকাল জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্লাটফর্মে আসতে চলেছে।

বাংলায় তৈরি ‘কুরুক্ষেত্র’ কাল আসছে নেটফ্লিক্সে! কেন একরাশ প্রত্যাশা জাগাচ্ছে এই অ্যানিমেশন সিরিজ?

বাংলায় তৈরি ‘কুরুক্ষেত্র’ কাল আসছে নেটফ্লিক্সে!

রূপক মিশ্র

শেষ আপডেট: 10 October 2025 07:22

রূপক মিশ্র

পনেরো শতক। মহাকাব্যের বীররসকে বাংলার লোকজ সংস্কৃতিতে মন্থন করলেন কাশীরাম দাস। তারপর উনিশ শতকে কালীপ্রসন্ন সিংহের বিস্তৃত ভাষান্তরণ থেকে বিশ শতকে রাজশেখর বসুর নির্মেদ সারানুবাদ, রবীন্দ্রনাথের ‘কর্ণ-কুন্তী-সংবাদ’ কিংবা নাটকে গিরিশ ঘোষের ‘অভিমন্যুবধ’ হয়ে ব্রাত্য বসুর ‘জতুগৃহ’—মহাভারতকে পর্বে-পর্বান্তরে ধরতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে বাঙালি।

সেই বোঝাপড়ারই সাম্প্রতিকতম গন্তব্য উজান গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত অ্যানিমেশন সিরিজ ‘কুরুক্ষেত্র’ (Kurukshetra)। পরিবেশনায় নেটফ্লিক্স (Netflix)। প্রায় দু’বছরের পরিকল্পনা ও পরিশ্রমের ফসল আগামিকাল জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্লাটফর্মে আসতে চলেছে।

বৃষ্টিভেজা দিনে হাই-টেক অ্যানিমেশন স্টুডিও (Hi-Tech Animation Studio), যেখানে সিরিজটি তৈরি হয়েছে, প্রায় পাঁচশো বাঙালি কর্মী-শিল্পী একপ্রকার নীরবে কাজের সঙ্গে জড়িয়ে, সেখানে ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে যাওয়া ইস্তক একটাই প্রশ্ন মাথায় ধাক্কা মারছিল: কেন অ্যানিমেশন? সিনে-পর্দায় মহাভারতকে বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ ব্রাত্যই রেখেছে৷ সেই ১৯২০-তে নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগে প্রথম এবং সম্ভবত শেষ অ্যাডাপটেশন। তারপর তির্যক ইঙ্গিতও খুব একটা ছুঁয়ে গেছে কি? কেন এই বিমুখতা? বিস্তৃত এপিকের দু:সহ ভার? এত যার শাখা-প্রশাখা, এত গভীর যার অর্থস্তর, সেখান থেকে বাছাই করে কি বানানো যেত না কোনও পূর্ণদৈর্ঘ্যের ফিচার ফিল্ম?

প্রশ্নটা একটু ঘুরিয়েই রাখা হল ছবির নির্দেশক উজানের (Ujan Gangopadhyay) কাছে। জবাবে চমৎকার উত্তর দিলেন তরুণ পরিচালক। বললেন, ‘অ্যানিমেশনের মজাই হচ্ছে, তা আমাদের কল্পনাকে টেনে ধরে। ধরা যাক, রায়পুরের এক বৃদ্ধা, যিনি ছোটবেলা থেকে মহাভারতের গাথা শুনে বড় হয়েছেন, তাঁর চোখে অর্জুনের যে অবয়ব, সেটা কি খাস কলকাতার গড়ফার কোনও এক মেসবাড়ির ছাত্রের কল্পনার সঙ্গে এক হতে পারে? সম্ভবত, না। আসলে এপিকের মজাই সেটা। যে কারণে রক্তমাংসের কোনও নায়ককে মহাকাব্যের চরিত্র করলে সেটা আমাদের কল্পিত অনুমানের সঙ্গে না মেলার সম্ভাবনাই বেশি। অ্যানিমেশন এই অসম্ভাব্যতাকে খণ্ডন করে। কোনও নির্দিষ্ট মাপ বুনে দেয় না। এখানে কল্পনা অনেক বেশি মুক্ত, স্বাধীন। ফলে আমরা অনেক নির্ভার মনে উপভোগ করতে পারি!’

রিসার্চ টিমের মাথায় পুরাণ-বিশেষজ্ঞ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি। স্ক্রিপ্ট উজানের লেখা হলেও নিয়ত পরামর্শ জুগিয়েছেন বাবা কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। ফিল্মের পূর্বভাষ (Prologue) গুলজারের। চিত্রনাট্যের প্রতিটি অধ্যায় যিনি খুঁটিয়ে পড়েছেন, সাবাশিও জানিয়েছেন লেখক উজানকে! এমন আটঘাট বেঁধে নেমে পড়া, দু'বছর ধরে লেগে থাকার নমুনা কি কাজে দেখা যাবে? হাই-টেক অ্যানিমেশনের কর্ণধার সুব্রত রায় নিজের টিমকে কুর্নিশ জানিয়েও আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ। সাফ জানালেন, আজ যদি তিনি ফের একবার এই একই কাজ করতে বসতেন, অনেক কিছুই বদলে যেত! কিন্তু সেই সুযোগ তো নেই। ফলে যা কিছু চ্যুতি, ত্রুটি—সে সবের মেরামত পরের প্রজেক্টের জন্য তোলা থাক!

আঠারো দিনের যুদ্ধ মহাভারত। কিন্তু থ্রিলিং ইভেন্ট আদতে মেরেকেটে ৫-৬ দিনের। বাকি দিনগুলি, বিশেষ করে, যুদ্ধ শুরুর আগের অনেকটাই কেটেছে মন্ত্রণা-মন্থনে, তর্কে-বিতর্কে, শলা-পরামর্শে। হতে পারে ভ্রাতৃহত্যার সংশয় কিংবা আত্মীয়হননের দংশন, নীতির পীড়ন কিংবা নৈতিকতার তর্জনী—এই নিয়ে নিয়ত কথা চালিয়ে গেছে পাণ্ডবপক্ষ। ফলে ‘কুরুক্ষেত্রে’ দিনের হিসেব নয়, আঠারো খানা এপিসোডে ১৮ জন বীরের দৃষ্টিকোণ ব্যবহার করতে চেয়েছেন পরিচালক। তাঁরা কে কীভাবে যুদ্ধকে বিচার করছেন, বুঝছেন—সেই ফোকাল পয়েন্টই আলাদা আলাদা পর্বে দেখানো হয়েছে।

কিন্তু শুধুই কি যুদ্ধ? সংস্থার সিইও আশিস থাপারের কথায়, ‘আমরা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকে ভরকেন্দ্র করতে চেয়েছি ঠিকই। কিন্তু ফিরে গেছি কারণ অনুসন্ধানে, অতীতের বৃত্তে!’ একই সুর উজানের ব্যাখ্যায়, ‘এটা একরৈখিক গল্প নয়। কারণ ও ফলাফল অনুসন্ধানে বারবার প্লটের ওভারল্যাপিং ঘটেছে!’

বিআর চোপড়ার ‘মহাভারত’ মাইলফলক। একটা মানদণ্ড। চ্যালেঞ্জও কি নয়? তাকে পুরোপুরি অগ্রাহ্য করা কতটা কঠিন? আদৌ সম্ভব কি? পরিচালক অবশ্য ততটা চিন্তিত নন। বললেন, ‘ছেলেবেলায় যখন টিভিতে মহাভারত দেখি, তার সবটুকু আজ মনে নেই। স্মৃতিতে কিছু ভিস্যুয়াল। চরিত্রদের অঙ্গভঙ্গি, হাঁটাচলা—এটুকুই। যেমন, শকুনির বিশেষ কায়দায় দাড়িতে হাত বোলানো। কিন্তু সেটা কতখানি পুরাণসম্মত? আদৌ মহাকাব্যের শকুনি এমন ভঙ্গি করতেন?’

অমরচিত্রকথা থেকে রাজশেখর বসু। প্রণোদনা সবাই জুগিয়েছেন। কিন্তু মহাকাব্যকে অ্যানিমেশনে ধরার সাহসটা হয়তো রবিবার বাধ্যতামূলক ড্রয়িং ক্লাসে যাওয়ার অভ্যাস থেকেই মজ্জায় ঢুকে যাওয়া! সুব্রত মজার ছলে বললেন বটে। কিন্তু অনেকখানি সত্য কি এত মিশে নেই? নইলে কেন দেশজুড়ে প্রায় সমস্ত অ্যানিমেশন স্টুডিও কিংবা সংস্থায় সিংহভাগ কর্মীই বাঙালি? এত বড় মাপের কাজ, তাও তো খাস বাংলায় হল, বাঙালিরা করল, ৩৪ খানা ভাষায় দুনিয়ার ১৯০টি দেশে স্ট্রিমিং চলবে—এতে শ্লাঘার কি যথেষ্ট কারণ নেই?

এমনিতেই চলতি বছরে অ্যানিমেশন নতুন দিগন্ত ছুঁয়েছে। ‘মহাবতার নরসিংহ’ এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একদিকে পৌরাণিক প্রেক্ষাপটে হিন্দু মিথের মূর্ত রূপ, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মানের অ্যানিমেশন—দুটোকে প্রযুক্তির সুনিপুণ ছন্দে বুনে ফেলা এই প্রথম। ভারতে তৈরি, কিন্তু গ্লোবাল নজরে দেখা—'নরসিংহ' প্রমাণ করে দিয়েছে, টেকনিক্যাল দক্ষতা আর গল্প বলার ঐতিহ্য যদি একই ফ্রেমে আসে, তবে ফলাফল ডিজনি-পিক্সারকেও টক্কর দিতে পারে।

গত এক বছরে দেশজুড়ে প্রায় ১৪টি বড় অ্যানিমেশন প্রজেক্ট শুরু হয়েছে, তার অর্ধেকই পৌরাণিক বা লোককথা-নির্ভর। নির্মাতারা ক্রমশ বুঝতে শিখছেন—অ্যানিমেশন শুধু শিশুদের খেলা নয়, এখন পরিণতমনস্কদের গল্প শোনানোর স্বাধীন ভাষাও বটে। এখানে বয়স, শ্রেণি বা দর্শকের কোনও ভেদরেখা নেই।

‘মহাবতার নরসিংহ’ (Mahavatar Narsimha) একাহাতে সেই সীমা ভেঙে দিয়েছে। হায়দরাবাদের এক স্টুডিও বারোশো দিনের পরিশ্রমে বানিয়েছে প্রায় দেড়শো মিনিটের পূর্ণদৈর্ঘ্যের অ্যানিমেশন ফিচার, যার প্রতিটি ফ্রেমে থ্রিডি রেন্ডারিং, মোশন-ক্যাপচার আর হাই-ডাইনামিক কালার গ্রেডিং। ডিস্ট্রিবিউশন স্বত্ব ইতিমধ্যেই বিক্রি হয়েছে ১৮টি দেশে। এই প্রজেক্ট দেখিয়ে দিয়েছে, ভারতীয় অ্যানিমেশন এখন নিজেদের ধর্ম, পুরাণ, ইতিহাস নিয়েই গ্লোবাল স্তরে কথা বলতে প্রস্তুত। এমন ধারাবাহিকতারই পরবর্তী কিস্তি ‘কুরুক্ষেত্র’ (Kurukshetra)।

পুরাণকে অ্যানিমেশনে ধরার প্রবণতা কেন এত জনপ্রিয়, তারও যুক্তি স্পষ্ট। আসলে মিথের সর্বজনীন ভাষা ‘প্রতীক’। তার পরিধি এতটাই বিশাল, যে বাস্তব অভিনেতার পক্ষে সব অর্থস্তর একসঙ্গে ধরা প্রায় অসম্ভব। অথচ অ্যানিমেশনে রং, রেখা, ফ্রেম, কণ্ঠ আর গতি—এই পাঁচ উপাদানকে কাজে লাগিয়ে এক অনন্ত কল্পনার পরিসর তৈরি হয়, যেখানে ধর্মযুদ্ধকে দেখানো যায় রক্তপাত ছাড়াই, যুদ্ধের ভেতরের দর্শনকে তুলে ধরা যায় বিমূর্ত চিত্রে।

তা ছাড়া ভারতীয় পুরাণের কাহিনি নিজেই অ্যানিমেশনের জন্য উপযুক্ত—দৃশ্যগতভাবে সমৃদ্ধ, প্রতীকবহ এবং ফ্যান্টাসি ও বাস্তবের চমৎকার মিশ্রণ। কৃষ্ণের সর্বব্যাপী রূপ, অর্জুনের বিভ্রান্তি, দ্রৌপদীর ক্রোধ বা ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা—এই আবেগগুলোকে মূর্ত করার ক্ষমতা যতটা অ্যানিমেশনের রয়েছে, বাস্তব ক্যামেরার পক্ষে তার কাছাকাছি যাওয়াটাও দুষ্কর।

বিশ্বজুড়ে ডিজনি বা পিক্সার তাদের গল্পে মিথ ব্যবহার করেছে—‘হারকিউলিস’, ‘মোয়ানা’, ‘কোকো’, ‘এলিমেন্টাল’। কিন্তু তারা মূলত নিজেদের সাংস্কৃতিক বৃত্তে আবদ্ধ। ভারতের পুরাণ বহুস্তরীয়। এখানে গল্পের ভিত নৈতিক প্রশ্নে, আধ্যাত্মিক দ্বন্দ্বে। তাই ভারতীয় অ্যানিমেশন শুধু ‘চিত্র’ নয়, ‘চিন্তারও’ গল্প বলে।

তথ্য বলছে, ২০২৩ সালে ভারতের অ্যানিমেশন ইন্ডাস্ট্রির বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা, যা ২০২৬ নাগাদ ছুঁয়ে ফেলবে ৩৫ হাজার কোটি। এর মধ্যে পুরাণভিত্তিক কনটেন্টের ভাগ ৪০ শতাংশের বেশি। নেটফ্লিক্স, ডিজনি+ হটস্টার, প্রাইম—সব ক’টি প্ল্যাটফর্মই এখন দেশীয় অ্যানিমেশন নির্মাতাদের সঙ্গে একাধিক প্রজেক্টে হাত মেলাচ্ছে।

বড় পরিবর্তন এসেছে প্রযুক্তিতেও। মায়া বা ব্লেন্ডারের পাশাপাশি এখন দেশীয় সফটওয়্যার ‘ভার্যা’, ‘অগ্নি-রেন্ডার’ বা বেঙ্গালুরুর তৈরি নতুন মোশন-ক্যাপচার ডিভাইস ব্যবহার হচ্ছে। এই সব উন্নত টুলস ভারতীয় অ্যানিমেশনকে ক্রমশ সাশ্রয়ী ও শক্তিশালী করে তোলায় বিশ্ববাজারেও তার প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে। এ বছরের কান অ্যানিমেশন মার্কেটে ভারত ছিল ‘ফোকাস কান্ট্রি’। এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশন গিয়েছে এখান থেকেই। অর্থাৎ, ডিজনি-পিক্সারের একচেটিয়া আধিপত্যে ফাটল ধরছে। আর তার ভেতর দিয়েই উঠে আসছে ভারতের নতুন ঢেউ—যেখানে পুরাণ, লোককথা আর আধুনিক প্রযুক্তি হাত ধরাধরি করে এগোচ্ছে।

‘কুরুক্ষেত্র’ এই নবতরঙ্গের প্রতিনিধি। মহাকাব্যকে আবার ফিরিয়ে আনছে স্ক্রিনে, কিন্তু অন্য আঙ্গিকে। এখানে কোনও দেবতা নয়, মানুষই মূল চরিত্র। যুদ্ধ নয়, প্রশ্নই এখানে কেন্দ্র। পরাজয় নয়, চিন্তাই এখানে মূল সংঘাত।


```