.webp)
ঝাড়খণ্ডের মহিলা অ্যাথলিট গীতা কুমারী
শেষ আপডেট: 12 September 2024 12:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমাদের দেশে এমন অনেক অ্যাথলিট রয়েছেন, যাঁরা দেশ কিংবা রাজ্যের জন্য পদক জয় করলেও, সংসারের আর্থিক পরিস্থিতি একেবারে বদলাতে পারেননি। সেই তালিকায় অবশ্যই থাকবে ভারতের ওয়াকার গীতা কুমারী। প্রতিদিন তাঁকে এতটাই আর্থিক-অনটনের মধ্যে দিয়ে এগোতে হচ্ছে যে দু'বেলা পেটের ভাত জোগানোর জন্য পাড়ার মোড়ে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে।
হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। ঘটনাটি ঝাড়খণ্ডের গীতা কুমারীর। রাজ্যের হয়ে তিনি একাধিক সোনার পদক জয় করেছেন। কিন্তু, আজ তাঁকেই পাড়ার মোড়ে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন রাজ্যস্তরের হাঁটা প্রতিযোগিতায় গীতা কুমারী মোট আটটি সোনার পদক জয় করেছেন। এছাড়াও কলকাতায় আয়োজিত প্রতিযোগিতায় একটি রুপো এবং একটি ব্রোঞ্জ পদক তাঁর ঝুলিতে রয়েছে।
একদিকে পড়াশুনো এবং অন্যদিকে পরিবারের আর্থিক দুরবস্থা সামলাতে গিয়ে গীতাকে রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে। বছর দুয়েক আগে যোগিতা ভায়ানার টুইটার হ্যান্ডল থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছিল। সেখানেই গীতার এই দুরবস্থার ছবি সকলের নজরে আসে।
চোখে পড়ে ঝাড়খণ্ডের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনেরও। ভিডিও দেখেই তিনি তৎক্ষণাৎ রামগড়ের ডেপুটি কমিশনার সন্দীপ সিংকে নির্দেশ দেন যাতে গীতাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করা হয়। পাশাপাশি, তাঁর অ্যাথলেটিক্স কেরিয়ারেও যেন নজর দেওয়া হয়।
অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে রামগড় জেলা আধিকারিকের পক্ষ থেকে ৫০,০০০ টাকা তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর অ্যাথলেটিক্স কেরিয়ারের জন্য প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করেও দেওয়া হয়।