Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ

মায়ের এই কথাটাই 'বেদবাক্য', বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে 'সিক্রেট' শেয়ার করলেন গুকেশ

বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল গেমে ডিং লিরেনকে গুকেশ ৭.৫-৬.৫ ব্যবধানে পরাস্ত করেন।

মায়ের এই কথাটাই 'বেদবাক্য', বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে 'সিক্রেট' শেয়ার করলেন গুকেশ

বাবা-মায়ের সঙ্গে গুকেশ

শেষ আপডেট: 15 December 2024 10:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সম্প্রতি দাবা খেলায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব অর্জন করেছেন ডি গুকেশ। এই সাফল্যের আসল মন্ত্রটা কী, সেটাও শেয়ার করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, মায়ের একটা পরামর্শই তাঁকে সাফল্যের রাস্তা দেখিয়েছে। কী ছিল সেই পরামর্শ, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

ভারতীয় দাবায় ইতিহাস কায়েম করেছেন গুকেশ। ডিং লিরেনকে পরাস্ত করে তিনি সর্বকনিষ্ঠ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব অর্জন করেছেন। তবে গুকেশের এই সাফল্যের পিছনে তাঁর বাবা-মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। 

১৮ বছর বয়সি এই ভারতীয় দাবাড়ু জানিয়েছেন, তাঁর মা পদ্মাকুমারী সবসময় একটাই কথা বলেন যে তিনি নিজের ছেলেকে অবশ্যই একজন মহান দাবাড়ু হিসেবে দেখতে চান। কিন্তু, তারও আগে একজন মানুষের মতো মানুষ হিসেবে দেখতে চান তিনি।

গুকেশ বললেন, 'আমার মা সবসময় আমাকে একটাই কথা বলেন। আমি একজন মহান দাবাড়ু, এটা শুনে তিনি হয়ত খুশি হবে। কিন্তু, আমি যদি মানুষের মতো মানুষ হতে পারি, তাহলে সেটা ওঁর কাছে গর্বের বিষয় হবে। এই কথাটাই আমি সবসময় মেনে চলি। আমি জানি, আমাকে অনেক কাজ করতে হবে। কিন্তু, আগামীদিনে আরও ভাল দাবাড়ু হওয়ার চেষ্টা আমি চালিয়ে যাব। তারও আগে নিজেকে ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করব।'

তবে গুকেশের এই সাফল্যের যাত্রাপথ একেবারেই সহজ ছিল না। বিভিন্ন টুর্নামেন্টে ছেলের পাশে থাকার জন্য বাবা রজনীকান্তকে ENT সার্জনের কেরিয়ার হেলায় হারাতে হয়েছে। গুকেশের মা পদ্মকুমারী একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট। তাঁর একার উপার্জনেই গোটা সংসার চালাতে হয়।

গুকেশের কথায়, 'আমি আর্থিকভাবে একেবারেই স্বচ্ছ্বল ছিলাম না। আমার বাবা-মাকে প্রচুর স্ট্রাগল করতে হয়েছে। ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে আমাদের টাকা-পয়সার এতটাই টান পড়েছিল যে বাবা-মায়ের বন্ধুরা আমাকে স্পনসর করেছিল। আমার লাইফস্টাইলও ওঁরা বদলেছেন যাতে আমি টুর্নামেন্ট খেলতে পারি। আমার জীবনে বাবা-মায়ের এই অবদান কোনওদিন ভুলতে পারব না।'

উল্লেখ্য, বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল গেমে ডিং লিরেনকে গুকেশ ৭.৫-৬.৫ ব্যবধানে পরাস্ত করেন।


```