Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?

অতিমারি ও নিধিরাম সর্দারের অনলাইন ক্লাস

পার্থজিৎ চন্দ করোনাভাইরাসের কারণে পৃথিবীজোড়া অতিমারি আমাদের অনেক’কে অনেক কিছু ‘উপহার’ দিয়েছিল, আমাকে উপহার দিয়েছিল ইউটিউব-চ্যানেল। আজ একবার ফিরে গিয়ে দেখি, সে চ্যানেলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল দু’হাজার কুড়ি সালের ৯ এপ্রিল। তাতে শেষ আপলোড ঘটে ১২

অতিমারি ও নিধিরাম সর্দারের অনলাইন ক্লাস

শেষ আপডেট: 24 January 2021 07:40

পার্থজিৎ চন্দ

করোনাভাইরাসের কারণে পৃথিবীজোড়া অতিমারি আমাদের অনেক’কে অনেক কিছু ‘উপহার’ দিয়েছিল, আমাকে উপহার দিয়েছিল ইউটিউব-চ্যানেল। আজ একবার ফিরে গিয়ে দেখি, সে চ্যানেলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল দু’হাজার কুড়ি সালের ৯ এপ্রিল। তাতে শেষ আপলোড ঘটে ১২ এপ্রিল। তিনদিনের সক্রিয়তাপূর্ণ ইউটিউব্-চ্যানেল, তিনটি আপলোডেড ভিডিও (প্রতিটি বারো থেকে তেরো-মিনিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ, অর্থাৎ সাকুল্যে ছত্রিশ মিনিটের কাছাকাছি), সব মিলিয়ে তিনদিনে আড়াই-শো ‘ভিউ’ – এ সবের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ‘সাফল্য’ ও ‘ব্যর্থতা’র চিহ্ন। যদিও আপাতভাবে একটি বাংলা-মাধ্যম বিদ্যালয়ের দশম-শ্রেণীর একশোর কাছাকাছি ছাত্রছাত্রী সংখ্যার নিরিখে এই পরিসংখ্যানকে অনায়াসেই ‘সাফল্য’ বলে চালিয়ে দেওয়াও যায়। খুব স্পষ্ট করে এ লেখার শুরুতেই একটা কথা বলে নেওয়া দরকার। আমাদের বিমূঢ় করে, অপ্রস্তুত অবস্থায় রেখে অতিমারি ভয়াবহ ভাবে জাঁকিয়ে বসেছিল। বাংলা-মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীদের কাছে অনলাইন ‘পাঠদান’ প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়েছে তার থেকেও বেশি ভয়াবহ ভাবে। অনলাইন ক্লাসের ফলে বাংলা-মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা ‘উপকৃত’ হয়েছে এই ধারণা ছড়িয়ে দেবার মধ্যে আত্মকণ্ডূয়ন ছাড়া আর কিছুই নেই। এ সময়ে দাঁড়িয়ে বোঝা গেছে ‘স্ট্যাটিসটিক্স’ প্রতারক, তার থেকেও বেশি প্রতারক ভারতের মধ্যে ফুটে থাকা ‘’ইন্ডিয়া’। তবু সেই প্রতারক ‘তথ্যের’ উপর ভর করা ছাড়া অন্য কোনও পথ খোলা নেই। কয়েকটি তথ্য, যা আপনার-আমার তৈরি করা নয়…পেশ করেছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া…তার দিকে একবার চোখ ফেরানো যাক। দেশের টেলিকম সার্ভিস পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এপ্রিল,২০২০ থেকে জুন,২০২০ – এই তিনমাসের একটি রিপোর্ট তারা পেশ করে ৯ নভেম্বর, ২০২০-তে। এখানে কয়েকটি ‘মিথ বাস্টেড’ হবার সম্ভাবনা রয়ে গেছে।  পশ্চিমবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে এক কোটি সত্তর লক্ষ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। শহরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা এক কোটি ছেষট্টি লক্ষ।  কিন্তু শহরাঞ্চলে বসাবাসকারী মানুষের মধ্যে যখন ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ৯২.৫৬% তখন গ্রামাঞ্চলে সংখ্যাটা মাত্র-ই ২৯.০২%। মনে রাখা ভাল দু’ক্ষেত্রেই এই হার দেশের হারের (যথাক্রমে ৯৮.৩৫% ও ৩৩%) থেকে কম। শুধু তাই নয়, সারা দেশে জুন,২০১৯ থেকে জুন,২০২০-র মধ্যে টেলি-ডেনসিটি ৯০.১১% থেকে কমে হয়েছে ৮৫.৮৫%)। প্রি-পেইড সংযোগের ক্ষেত্রে মার্চ,২০২০ থেকে জুন,২০২০ পর্যন্ত ARPU (monthly average revenue per user)-এর হেরফের তেমন গুরুত্বপূর্ণ না-হলেও পোস্ট-পেইড সংযোগের ক্ষেত্রে সেটি ওই সময়ে হ্রাস পেয়ে প্রতিমাসে দু’শো চুয়াল্লিশ টাকা থেকে কমে দু’শো চব্বিশ টাকা হয়েছে। অতিমারির শুরুর দিনগুলির দিকে ফিরে দেখলে দেখা যাবে, লকডাউন ঘোষণা হবার সঙ্গে সঙ্গে নানা মহল থেকে তৎপরতা শুরু হয়েছিল অনলাইন পাঠদান চালু করার। যেন এটি একটি ‘একটু চেষ্টা করলেই সম্ভব’ ধরণের বিষয়। ভুলে যাওয়া হয়েছিল কিছু ‘ভয়ংকর’ গ্রাউন্ড রিয়ালিটির কথা, ইন্টারনেট-ডেনসিটির কথা। জী্বিকার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা নেমে আসার ফলে কোটি কোটি মানুষ যে ইন্টারনেট পরিসেবা নেবার ক্ষেত্রে সতর্ক হয়ে পড়বেন সেটিও আমাদের ধর্তব্যের মধ্যে থাকেনি।  ঠিক এভাবেই আমরা ধরে নিয়েছিলাম যে স্মার্ট-ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী অভিভাবকদের সবাই তাঁদের ফোনটি ছেলেমেয়েদের ভার্চুয়াল-ক্লাস করবার জন্য দিয়ে দেবার অবস্থায় থাকবেন। তাঁদের নিজস্ব কিছু বাধ্যবাধকতাও যে থাকতে পারে সেটা বেমালুম ভুলে গেছিলাম। অবশ্য যে দেশে ইউটিউবে চটুল হিন্দিগানের ভিডিও দেখাকেই ডিজিট্যাল-লিটারেসি বলে ধরে নেওয়া হয় সে দেশে এমন ‘ধরে’ নেওয়াও সম্ভব। গুগল-মিট বা অন্য অ্যপে অনলাইন ক্লাস করার জন্য ন্যূনতম এক ‘অভ্যাসের’ প্রয়োজন হয়। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি, সদ্য ছেড়ে আসা প্রাইমারি স্কুলের ঘন্টাধ্বনির সঙ্গে সদ্য ভর্তি হওয়া হাইস্কুলের ঘন্টাধ্বনির পার্থক্যও এক শিশুমনে কতটা বিভ্রম তৈরি করে। মানিয়ে নিতে বা ‘অ্যডপ্ট’ করতে তাদের মাসের পর মাস সময়ে লেগে যায়। সেখানে হঠাৎ ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন ক্লাস নামক একটি বিষয়ের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিলে তাদের কাছে সেটি ভিন্নগ্রহের এক ব্যাপার বলে মনে হওয়াই স্বাভাবিক। পশ্চিমবঙ্গের জনঘনত্বের সঙ্গে যারা পরিচিত তারা সকলেই জানেন পরিবারের বেশিরভাগ মানুষকেই একটি ঘর অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে বসবাস করতে হয়। সেখানে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট থাকলেও কতজন ছাত্রছাত্রীর লাইভ-অনলাইন ক্লাসে ‘ঠিকঠাক’ উপস্থিত থাকা সম্ভব তা নিয়ে ঘোর সন্দেহ আছে। স্কুলের ক্লাসরুমে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে পড়ুয়াদের attention distraction-এর মাত্রা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা আছে। সে ক্ষেত্রে এখানে কী পরিমাণ মনোযোগ ব্যাহত হতে পারে সেটা সহজেই অনুমেয়। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবস্থাও তথৈবচ। হাতে স্মার্টফোন থাকা, ঝপাঝপ সেলফি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করা ও ভার্চুয়াল ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করা – দুটো যে প্রায় পৃথক দুটি গ্যালাক্সির বিষয় সেটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। উপরোধ ও চাপে ঢেঁকি গেলার অবস্থা নিয়ে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ‘দায়’ পালন করতে তাঁরা এ পথের পথিক হয়েছিলেন। স্কুলের ক্লাসরুমে পাঠদানের থেকে ভার্চুয়াল ক্লাসে পাঠদানের সময়ে অন্যরকম ‘ইনোভেশন’এর প্রয়োজন হয়, তাঁরা সে পথ মাড়াননি। এই মোডে অভ্যস্ত না-হবার ফলে কার্বন-বন্ডিং বোঝাতে গিয়ে কখনও কখনও পাশ থেকে ভেসে আসা কথোপকথন থেকে বোঝা গেছে স্বামী-স্ত্রী’র বন্ডিং ঠিক নেই।  ইউটিউব বা গুগল-মিটের ব্যর্থতা ও হ্যাপা কমাতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা দ্রুত ‘সুবিধাজনক’ এক পদ্ধতির আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন। হোয়াটসঅ্যপ গ্রুপে  ছাত্রছাত্রীদের যুক্ত করে নিয়ে শুরু হয়েছিল ক্লাস। টাইপ করা তো দূরে থাক, বেশিরভাগ সময়েই বইয়ের পাতার পর পাতার ছবি তুলে, ভয়েস-মেসেজ করে গ্রুপে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবুজ আলো জ্বলে থাকা ছাড়া ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি ‘অদৃশ্য’। একই গ্রুপে প্রতিদিন ছয় থেকে সাতটি বিষয়ের পাঠদান হবার ফলে ডেটা-বুম হয়েছে, সৃষ্টি হয়েছে এক কিম্ভূতকিমাকার অবস্থার। প্রথম দিকে বিভিন্ন ক্লাসের সময় আলাদা আলাদা থাকলেও খুব দ্রুত সেটি লুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে মুঘল-সাম্রাজ্যের পতনের কারণের মধ্যে ঢুকে পড়তে থাকে হিমবাহ তৈরির কারণ।  প্রথমদিকে এই সব হোয়াটসঅ্যপ গ্রুপে ছাত্রছাত্রীদের ‘উপস্থিতি’র হার একটু বেশি থাকলেও অচিরেই সেটি নেমে আসে আট থেকে দশ শতাংশে। পেশাদারিত্বের ছিটেফোঁটা না-থাকার ফলে মধ্যরাত্রে কয়েকটি জটিল সমস্যা সমাধানের জন্য গ্রুপে পোস্ট করে ঘুমাতে গেছেন গণিতের শিক্ষক-শিক্ষিকারা, অনেক সময়ে। সকালে উঠে সেই সমস্যা দেখে একটু একটু করে দূরে সরে যেতে শুরু করেছে ছাত্রছাত্রীরা।  এবং অনিবার্য ভাবে ইন্টারঅ্যকশন…যা শিক্ষা-ক্ষেত্রে সব থেকে জরুরি বিষয়…কমে গেছে ভীষণ ভাবে। আধুনিক শিক্ষা-ব্যবস্থার সব থেকে বড় লক্ষণ, সে Gold Sack Theory থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। হোয়াটসঅ্যপ গ্রুপগুলিতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা আরও বেশি বেশি করে স্বর্ণভাণ্ডার বহন করেছেন। হাজার হাজার জিবি ডেটা আপলোডেড হয়েছে। কগনিটিভ ডেভেলপমেন্ট তো অনেক দূরের কথা, ‘ইনফরমেশন’টুকুও ঠিকঠাক গিয়ে পৌঁছায়নি ছাত্রছাত্রীদের কাছে।মেট্রোপলিটনগুলিতে মধ্যবিত্ত বাড়িতে ব্যক্তিগত ট্যাবে স্টাডি-রুমে বসে অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষার দেওয়ার বাস্তবতার থেকে অনেক বেশি বাস্তব গজলডোবা থেকে গারুলিয়ার গ্রামে গ্রামে ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন ক্লাস করতে গিয়ে এসব বাধার সন্মুখীন হওয়া।  প্রতিমাসে ছাত্রছাত্রীদের মিড-ডে মিলের সামগ্রী বিতরণ-সহ বেশ কিছু কাজে স্কুলে যেতে হয় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। কয়েক সপ্তাহ আগে গায়ে কাঁটা দেওয়া এক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। সেটিই সম্ভবত অতিমারির সময়ে ‘শিক্ষা’র প্রকৃত চিত্রটা তুলে ধরে।মিড-ডে মিলের সামগ্রী আনতে আসতে হবে অভিভাবকদের’ই, ছাত্রছাত্রীরা কিছুতেই আসতে পারবে না। দুপুরে ফাঁকা করিডোরে নিজের একদা নিজের ক্লাসরুমের বাইরে কাঁচুমাচ-মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক ছাত্র। ক্লাস সেভেন থেকে এইটে উঠেছে, তাকে মিড-ডে মিল দেওয়া হয়নি। সঙ্গত কারণেই দেওয়া হয়নি। অথচ তার বাবা করোনার প্রকোপ কমতেই আবার ‘বাইরে’ চলে গেছেন কাজে। মা একটি বাড়িতে সহায়িকার কাজ করেন, তার পক্ষে আসা কিছুতেই সম্ভব নয়। মিড-ডে মিলের চাল-ডাল-আলু নিয়ে গেলে কিছুটা সুরাহা হয়…। শীতের দুপুরে ফাঁকা ক্লাসরুম ফাঁকা করিডোর…ছাত্রটিকে মনে হয়েছিল যেন অন্য কোনও এক ক্ষুধার্ত গ্রহ থেকে নেমে আসা ‘এলিয়েন’। আমাদের ‘বাস্তবতা’ থেকে অনেক দূরে তার অবস্থান। ঠিক যতটা দূরে অবস্থিত ছিল আমাদের ‘ভার্চুয়াল ক্লাস’।

লেখক পার্থজিৎ চন্দ পেশায় স্কুলশিক্ষক। হাওড়ার শিল্পাঞ্চলে জন্ম, বড় হয়ে ওঠা। কবি, প্রাবন্ধিক ও আলোচক হিসাবে সুপ্রসিদ্ধ।  সাহিত্যকীর্তির জন্য পেয়েছেন 'বড়ু চণ্ডীদাস' পুরস্কার সহ একাধিক সম্মাননা।প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু গল্প ও সমাজ-সাহিত্য বিষয়ক গদ্য। অবসর বিনোদন- গান শোনা ও ছবি দেখা


```