
শেষ আপডেট: 15 November 2022 09:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নয়া মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলছে পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা (world population)! জাতিপুঞ্জের (united nations) রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ, মঙ্গলবারই নাকি ৮০০ কোটিতে পৌঁছে যাচ্ছে পৃথিবীর জনসংখ্যা।
তবে জনসংখ্যা বাড়লেও, নবজন্মের হার (birth rate) কিন্তু কমছে বিশ্বজুড়ে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে মৃত্যুহার কমে যাওয়াকে। ১৯৯০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মানুষের গড় আয়ু বেড়ে গেছে ৯ বছর। ২০৫০ সালে তা আরও ৫ বছর বাড়তে চলেছে।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে প্রকাশ পেয়েছিল ওয়ার্ল্ড পপুলেশন প্রস্পেক্ট-এর বার্ষিক রিপোর্ট। সেই হিসেব অনুযায়ী, ১৯৫০ সাল থেকে ক্রমশই কমেছে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার, ২০২০ সালে যা ১ শতাংশেরও কম। পৃথিবীতে মোট মানুষের সংখ্যা ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটিতে পৌঁছাতে লেগেছিল ১২ বছর। হিসেবে বলছে, ৮০০ কোটি থেকে সেই সংখ্যাটা ৯০০ কোটিতে যেতে সময় লাগবে আরও বেশি, আনুমানিক ১৫ বছর। অর্থাৎ ২০৩৭ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ৯০০ কোটিতে।
জাতিপুঞ্জের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৩০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা হতে চলেছে ৮৫০ কোটি। ২০৫০ সালে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৯৭০ কোটিতে, এবং ২১০০ সালে পৃথিবীতে মানুষের মোট সংখ্যা হবে ১ হাজার ৪০০ কোটি। ফলে স্পষ্টতই, কমছে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার। তবে রিপোর্টে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গেছে, যে সমস্ত দেশে মানুষের গড় উপার্জন সবচেয়ে কম, সেই দেশগুলিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি!
২০২২ সালে পৃথিবীর দুটি সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ এলাকাই এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত। পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জনসংখ্যা ২৩০ কোটি, এবং মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষেত্রে তা ২১০ কোটি। এই দুটি অঞ্চলের মধ্যে সর্বাধিক জনবহুল দু'টি দেশ হল চিন এবং ভারত, দুটি দেশেই জনসংখ্যা ১৪০ কোটির বেশি।
২০৫০ সাল পর্যন্ত পৃথিবীতে জনসংখ্যার যে পরিমাণ বৃদ্ধি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, তার সিংহভাগই হবে মোট ৮টি দেশে, যেগুলি হল ভারত, পাকিস্তান, কঙ্গো, মিশর, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, ফিলিপিন্স এবং তানজানিয়া। সেই হিসেবে অনুযায়ী, ২০২৩ সালেই মোট জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে ছাপিয়ে যাবে ভারত।
শ্রদ্ধার দেহ ফ্রিজে রেখে ওই ফ্ল্যাটেই একাধিক মহিলার সঙ্গে সহবাস করেছে আফতাব