
প্রতীকী ছবি: শুভ্র শর্ভিন
শেষ আপডেট: 6 December 2024 19:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরেই বড়দিন বা ক্রিসমাস। সুন্দর সুন্দর কেক, জুজুলস, মার্শম্যালোতে ভরে গিয়েছে বাজার। আলোর চাদরে মুড়েছে চার্চ, রাস্তা, রেস্তোরা। অজানা সান্টাক্লজের কাছে গিফ্ট পাওয়ার আসায় দিন গুণছে কচিকাচারা। ভারতসহ বিশ্বজুড়ে বিশেষত পাশ্চাত্য সংস্কৃতির দেশগুলিতে ধুমধাম করে পালন করা হবে দিনটি। ক্রিসমাসকে বড়দিন নামেই চেনেন বেশিরভাগ মানুষ। আর বড়দিন মানেই সান্তাক্লজ।
সাধারণ মানুষ বিশেষত শিশুদের সান্তা ক্লজকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। আজও মানুষের বিশ্বাস বড়দিনের আগে সাদা গোঁফ দাড়ির লাল পোশাক পরা সান্তা ক্লজ রাতের অন্ধকার এসে লাল ঝোলা থেকে উপহার রেখে যান চুপিসাড়ে। কিন্তু এই সান্তাক্লজকে কেমন দেখতে? এবার সামনে এল সান্তাক্লজের আসল ছবি।
লাল পোশাক, লাল টুপি পরা, সাদা ধবধবে দাড়িওয়ালা এই মানুষটিকে। সান্তাক্লজ আসলে ছিলেন এই বিশপ যাঁর নাম ছিল সেন্ট নিকোলাস। মনে করা হয় খ্রিস্টিয় ২৮০ সালের দিকে এশিয়া মাইনর বা বর্তমান তুরস্কের পাতারা নামে অঞ্চলে তাঁর জন্ম হয়েছিল। তাঁকে আসলে কেমন দেখতে ছিল কেউই জানে না সেকথা। এবার তাঁরই আসল ছবি তুলে ধরলেন বিজ্ঞানীরা।
সান্তার মৃত্যুর ১৭০০ বছর পর তাঁর মাথার খুলি থেকে উন্নত ফরেন্সিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর মুখের আদল বের করেছেন বিজ্ঞানীরা। সেই ছবিতে সান্তাকে দাড়ি ছাড়া ঠিক কেমন দেখাবে, তাও স্পষ্ট। সান্তা ক্লজকে নিয়ে রয়েছে সব ভিন্ন ভিন্ন গল্প। ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সান্তার জন্য খাবার সাজিয়ে অপেক্ষা করে থাকে।
শুধু তাই নয়, সান্তা তাঁর উপহারের ঝুলি থেকে তাদের মনের মতো জিনিস দিয়ে যাবেন বলেও বিশ্বাস করে ছোট ছোট মুখগুলো। বড়দিনে সবার অপেক্ষা তো থাকে তার জন্যই। সান্তা এমন এক 'ঐতিহাসিক' চরিত্র নিয়ে কাহিনিও কিছু কম নেই। রয়েছে নানা দার্শনিক ভাবনাও।