
শেষ আপডেট: 15 March 2023 14:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রোহিঙ্গা (Rohinga) শিবির মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একই জায়গায় একসঙ্গে অগুণতি মানুষের বাস। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে কোনক্রমে জীবন যাপনের চিত্র। অসহায় হয়ে নিজের দেশ ছেড়ে অচেনা কোনও দেশের এককোণে পড়ে থাকা একঝাঁক মানুষ। বাংলাদেশের অসংখ্য সমস্যার মধ্যে মায়ানমারের রোহিঙ্গা সঙ্কট বড় সমস্যা হয়ে উঠছে। মায়ানমারের প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার বাস বাংলাদেশের কক্সবাজারে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন এবং অশিক্ষার অন্ধকারে থাকা মানুষগুলোর পরিবার পরিকল্পনার বিষয়ে কোনও ধারণাই নেই।
তথ্য বলছে, রোহিঙ্গা শিবিরগুলিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জনসংখ্যা। বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিদিন(born everyday) গড়ে প্রায় ৯৫ টি শিশু(95 children) জন্মগ্রহণ করে এই শরণার্থী শিবিরে।
ইউনাইটেড নেশনস হাইকমিশন ফর রিফিউজির এক তথ্যে জানা গেছে, কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে বর্তমানে রোহিঙ্গা সংখ্যা ৯,৫৪,৭০৭ জন। মোট পরিবারের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ। সুতরাং হিসেব বলছে, গড়ে প্রতি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৮ জন। আশ্রয় শিবিরগুলিতে রোহিঙ্গাদের ৫২ শতাংশই হল শিশু। সকলের বয়স ১৭ বছরের কম। এই তথ্যই চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়, জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তেমন ভাবনা নেই। এমনকি কন্ডোম বা গর্ভনিরোধক বড়ি সম্বন্ধে কোনও ধারণাই নেই সেখানকার মানুষদের।
রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে পরিস্থিতি সামাল না দিলে শিশু জন্মহার বৃদ্ধির পরিণতি খুব একটা সুখকর হবে না বলে মনে করেন বাংলাদেশ সরকার। কারণ, এভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জনসংখ্যা ১২-১৩ লক্ষে পৌঁছে যেতে পারে।
প্রসঙ্গত, অসুরক্ষিত যৌনতার জন্য রোহিঙ্গা শিবিরে নানান রকম রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এইচআইভি, ডিপথেরিয়ার মতো রোগের বাড়বাড়ন্ত দেখা যাচ্ছে শরণার্থীশিবিরে।
দেশে পুরুষ অধিকার কমিশন চেয়ে মামলা সুপ্রিম কোর্টে, এমন দাবি কেন