Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্লাস্টিক-খেকো ব্যাকটেরিয়া ঝাঁকে ঝাঁকে ঢুকছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক ছারখার করছে শরীর

প্লাস্টিক ব্যবহারে যতই রাশ টানা হোক না কেন, তা নির্মূল করা যায়নি কোনওভাবেই। চায়ের কাপ থেকে খাবারের প্লেট, সবেতেই যথেচ্ছভাবে প্লাস্টিকের ব্যবহার হচ্ছে।

প্লাস্টিক-খেকো ব্যাকটেরিয়া ঝাঁকে ঝাঁকে ঢুকছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক ছারখার করছে শরীর

শেষ আপডেট: 3 January 2024 15:36

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম প্লাস্টিকের কণা ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার আঁতুরঘর। প্লাস্টিকের একদম ছোট ছোট অংশ যাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়, সেগুলির ওপরেই দিব্যি জন্ম নেয় এবং সংখ্যাতেও বাড়ে ব্যাকটেরিয়ারা। এইসব ব্যাকটেরিয়ারা আবার অ্যান্টিবায়োটিকেও ঘায়েল হয় না। প্লাস্টিকজাত ব্যাকটেরিয়া রীতিমতো অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী। মানুষের শরীরে জটিল অসুখবিসুখ বাঁধাতে পারে। এমনটাই বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা। প্লাস্টিক দূষণের ভয়ঙ্কর প্রভাব যে ফলতে শুরু করেছে সে নিয়ে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।

প্লাস্টিক ব্যবহারে যতই রাশ টানা হোক না কেন, তা নির্মূল করা যায়নি কোনওভাবেই। চায়ের কাপ থেকে খাবারের প্লেট, সবেতেই যথেচ্ছভাবে প্লাস্টিকের ব্যবহার হচ্ছে। প্লাস্টিকের কাপে গরম চা বা কফি ঢেলে খেলে তার মাইক্রোপ্লাস্টিক মিশে যায় পানীয়তে। খাবারের সঙ্গে তা ঢোকে শরীরে। আর প্লাস্টিকের সঙ্গে ঢোকে ব্যাকটেরিয়াও।

মাইক্রোপ্লাস্টিকের রাসায়নিক উপাদান মানব শরীরের জন্য বিষাক্ত, এ কথা পইপই করে বোঝানোর চেষ্টা করছেন গবেষকরা। তাও প্লাস্টিকের বাড়বাড়ন্ত চারদিকেই। নিউ জার্সি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এনজেআইটি)-র গবেষকরা বলছেন, নদীনালা, বা খালবিলের জলে যে সমস্ত প্লাস্টিকজাত উপাদান মিশছে, সেগুলিরই ভগ্নাংশ মাইক্লোপ্লাস্টিক হয়ে জমছে জলে বা মাটিতে। এইসব মাইক্রোপ্লাস্টিকের সারফেস বা পৃষ্ঠদেশ মসৃণ হয়। তার ওপরেই জন্ম নেয় ব্যাকটেরিয়া। এই সমস্ত ব্যাকটেরিয়া প্লাস্টিকের সারফেসে দীর্ঘসময় বেঁচেবর্তে থাকতে পারে। দ্রুত বিভাজিতও হতে পারে। এই সমস্ত ব্যাকটেরিয়া প্লাস্টিক থেকে জলে মেশে বা মাটিতে মিশে যায়। সেখান থেকে খাদ্য, জলের মাধ্যমে মানব শরীরে ঢুকে পড়ে। প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে গবেষণা চালাতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এই ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক-রেজিস্ট্যান্স ব্যাকটেরিয়ার খোঁজ পেয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এক একটা প্লাস্টিকের ভগ্নাংশের দৈর্ঘ্য ৫ মিলিমিটারেরও কম। দুই ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক আছে, এক ‘প্রাইমারি মাইক্রোপ্লাস্টিক’ যাদের দৈর্ঘ্য ৫ মিলিমিটার বা তার কম, যেগুলির মধ্যে পড়ে মাইক্রোফাইবার, মাইক্রোবিডস এবং প্লাস্টিক প্যালেট। দুই, ‘সেকেন্ডারি মাইক্রোপ্লাস্টিক’ ৫ মিলিমিটারের কম মাইক্রোপ্লাস্টিক যেগুলি বড় বড় প্লাস্টিকজাত উপাদানের ভগ্নাংশ। সাধারণত, নদীনালা, খালবিল, নিকাশী নালার জলে যে সব বর্জ্য প্লাস্টিক ফেলা হয় সেগুলিরই অংশ। গবেষকরা বলছেন, সমুদ্রে গিয়েও মিশছে এই দূষিত প্লাস্টিকের কণা। যে কারণে সামুদ্রিক জীবেরাও ভয়ানক সঙ্কটে আছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিকের ল্যাবোরেটরি টেস্ট করে দেখা গেছে, বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া জন্মাচ্ছে এই মাইক্রোপ্লাস্টিকগুলোর ওপর যাদের নির্দিষ্ট তিনটি জিন sul1, sul2 intI1 অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী। অর্থাৎ এই ব্যাকটেরিয়ার জিন যদি মানুষের শরীরে ঢোকে তাহলে ওষুধ খেলেও সহজে রোগ সারবে না। বরং সংক্রামকও হয়ে উঠতে পারে ব্যাকটেরিয়া। বিজ্ঞানীরা ব্যাকটেরিয়ার এই জিনগুলির সঙ্গে সালফামিথোক্সাজোল অ্যান্টিবায়োটিক মিশিয়ে দেখেছেন খুব একটা কাজ হয়নি। অ্যান্টিবায়োটিকের থেকেও ৪.৫ গুণ বেশি শক্তিশালী এইসব ব্যাকটেরিয়ারা।

নানা সংক্রমণজনিত রোগ, স্তন ক্যানসারেরও কারণ এই প্লাস্টিকজাত উপাদান। তাছাড়া অধিকমাত্রায় প্লাস্টিকের কণা শরীরে জমলে পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর পরিমাণ কমিয়ে দেয়। মহিলাদের হরমোন ক্ষরণে বাধা তৈরি করে। বিশেষ ইস্ট্রোজেন হরমোনের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে এই টক্সিক পদার্থ।


```