
সংগৃহীত ছবি
শেষ আপডেট: 3 December 2024 13:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ব্রিটেনের এক পড়ুয়া। বয়স মাত্র ১০। এই বিস্ময় বালকের আইকিউ ১৬২। আইকিউ ব়্যাংকিংয়ে আইনস্টাইন, স্টিফেন হকিংকেও পিছনে ফেলে দিয়েছেন তিনি।
অবাক হচ্ছেন? ক্রিশ অরোরার বয়স দেখে আইকিউ লেভেল মেলাতে গিয়ে অবাক হয়েছেন হয়তো অনেকেই। কিন্তু বাস্তবে সে আসলেই এক বিস্ময়। আইনস্টাইন, স্টিফেন হকিংয়ের আইকিউ ১৬০। ক্রিশের ১৬২। যা অঙ্ক দেবেন সব সলভ করে দেবেন। একাদশ বা তার বড় কোনও শ্রেণির অঙ্কও তাঁর কাছে কিছ্ছু না। পড়তেও চান না প্রাইমারি স্কুলে।
ক্রিশের কথায়, প্রাইমারি স্কুলে তিনি কিছুই শিখতে পারেন না। প্রতিদিন বাক্য গঠন করা ও লেখা, তাঁর পছন্দ নয়। বড় ক্লাসে পড়তে চান এই বয়সেই। বীজগণিত তাঁর পছন্দ।
শুধু যে পড়াশোনায় তুখর, তা নয়। ক্রিশ মিউজিকেও ততোটাই ভাল। পিয়ানো বাদক হিসেবে ওয়েস্ট লন্ডনের এই বাসিন্দা একাধিক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। ট্রিনিটি কলেজ অফ মিউজিকের 'হল অফ ফেম'-এ জায়গা করে নিয়েছেন পিয়ানো শেখার চার ধাপ মাত্র ছয় মাসে শিখে ফেলায়।
যেকোনও কঠিন গানের স্বরলিপিও তিনি শুধুমাত্র মনে রেখে পিয়ানোয় বাজিয়ে ফেলেন। এনিয়ে বিষ্ময় বালকের কথা, 'আমি নার্ভস হই না কোথাও পিয়ানো বাজাতে গিয়ে কারণ আমি জানি আমার সব মনে থাকবে। কিছু ঘাঁটবে না।'
ক্রিশের বাবা-মা মৌলি ও নিশ্চল ইঞ্জিনিয়র। ক্রিশের যখন চার বছর বয়স তখন তাঁর এই বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পান। তাঁর মা বলেন, 'চার বয়স থেকেই ও দারুণ লিখতে পারে। সব পড়তে পারে। অঙ্ক করতে পারে। আমরা তখনই বুঝি ও একটু আলাদা। মাত্র চার বছর বয়সে, তিন ঘণ্টায় গোটা একটা অঙ্ক বই আমার সঙ্গে বসে শেষ করেছিল ও। ক্লাস থ্রি-তে যখন পড়ে, গোটা বছরের হোমওয়ার্ক একদিনে বসে করে দিয়েছিল।'
ক্রিশ সারাদিন থাকেন গান-বাজনা আর পড়াশোনার মধ্যে। অবসরেও সলভ করে পাজল ও ক্রসওয়ার্ড।