
শেষ আপডেট: 4 December 2022 10:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেই কবেকার কথা! 'এসএমএস' (SMS) শব্দটি শুনলেই নস্টালজিক হয়ে পড়েন অনেকে। আজকালকার ফ্রী ডেটার যুগে হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা সিগন্যালের রমরমায় 'এসএমএস'কে লোকে ভুলতে বসেছে বললেই চলে। কিন্তু সেদিনের সেই টেক্সট মেসেজই যে প্রযুক্তির বাড়াবাড়ির আগে মানুষের মধ্যে দূরত্ব অনেকখানি কমিয়ে এনেছিল, তা কি অস্বীকার করা যায়? জানেন কি, আজ থেকে ৩ দশক আগে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেক্সট মেসেজটি পাঠানো হয়েছিল? গতকাল, অর্থাৎ ৩ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, ৩০ বছর আগে যেদিন নিজের মোবাইল ফোন থেকে পৃথিবীর প্রথম এসএমএস (First Text Message) পাঠিয়েছিলেন ব্রিটেনের এক প্রযুক্তিবিদ।
১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর ভোডাফোনের ইঞ্জিনিয়ার (Vodafone engineer) নীল প্যাপওয়ার্থ তাঁর বস রিচার্ড জার্ভিসকে 'টেস্ট' মেসেজ হিসেবে প্রথমবার একটি এসএমএস পাঠিয়েছিলেন। নীলের পাঠানো সেই মেসেজে লেখা ছিল, 'মেরি ক্রিসমাস।'
যদিও সেই সময় রিচার্ড নাকি ক্রিসমাসের পার্টিতে ছিলেন, ফলে বড়দিনের শুভেচ্ছাবার্তার প্রত্যুত্তরে নীলকে কোনও এসএমএস পাঠাতে পারেননি তিনি।
নীল জানিয়েছেন, 'তখন আমার কোন ধারণাই ছিল না একদিন এই টেক্সট মেসেজ সার্ভিস ঠিক কতটা জনপ্রিয় হতে চলেছে। তার থেকেই যে ইমোজি এবং বিভিন্ন ম্যাসেজিং অ্যাপের জন্ম হতে চলেছে, যা লক্ষ লক্ষ মানুষ ব্যবহার করেন, তার কোনও আন্দাজই ছিল না আমার। কদিন আগেই আমি আমার সন্তানদের জানালাম, যে আমি পৃথিবীর প্রথম এসএমএসটি পাঠিয়েছিলাম। এখন বুঝতে পারি, বড়দিনের শুভেচ্ছা পাঠানো সেই মেসেজ পাঠানোর মুহূর্তটি মোবাইলের ইতিহাসে একটি সাড়া জাগানো মুহূর্ত।'
প্রসঙ্গত, এসএমএস পাঠানোর ধারণার সূত্রপাত হয় আশির দশকের গোড়ার দিকে। কিন্তু ভাবনাকে বাস্তবে পরিণত করতে আরও বছর দশেক সময় লেগেছিল। প্রাথমিকভাবে ১টি এসএমএসে সর্বোচ্চ ১৬০টি ক্যারেক্টার টাইপ করা যেত।
ফোন করে কথোপকথন ছাড়াই কথা বলার এই মাধ্যমটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। কোটি কোটি মানুষ 'টেক্সট' মেসেজ পরিষেবা ব্যবহার করতে শুরু করার পর ২০১০ সালে অভিধানে জায়গা করে নেয় 'টেক্সটিং' শব্দটি। আজও এসএমএস পরিষেবা চালু রয়েছে। যদিও জনপ্রিয়তার নিরিখে তাকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ, সিগন্যাল, আইমেসেজ এর মতো মেসেজিং অ্যাপগুলি।
চারজনের সঙ্গে প্রেম বিধবা তরুণীর! পঞ্চমজন আসতেই শুরু ঝামেলা! খুনই হয়ে গেলেন বেঘোরে