
শেষ আপডেট: 28 March 2024 11:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘বলতো আমি কোথায়?’
পেছনে নীল সমুদ্র, তার সামনে ছোট ছোট হাট, এমন লোকেশন মলদ্বীপ ছাড়া হতেই পারে না। ভারতের সঙ্গে ঝগড়া কাজিয়ার আগে এই মলদ্বীপই ছিল উচ্চবিত্তদের ছুটি কাটানোর জায়গা। এই মলদ্বীপেই নাকি এখন ড্যাং ড্যাং করে ঘুরছেন ডলি চাওয়ালা।
ডলিকে মনে আছে তো?
সেই যে বিল গেটসকে এক কাপ গরম চা খাইয়েছিলেন। চোখে সানগ্লাস, রঙচঙে পোশাক, ঘাড় অবধি লম্বা চুল ঠিক যেন জনি ডেপের স্টাইলে কাটা। ঠিকই ধরেছেন, ‘নাগপুরের জনি ডেপ’ সেই ডলি চাওয়ালা মলদ্বীপে ঘুরতে গেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) শুজাউ হুসেন নামে একজন পোস্ট করে লিখেছেন ডলি চাওয়ালা মলদ্বীপে ঘুরতে গেছেন। ডলির মলদ্বীপ ভ্রমণের নানা ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি।
সেই পোস্ট এখন ৭০ হাজার লাইক ছাড়িয়ে গেছে। কমেন্টের বন্যা। অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, চা বেচেই মলদ্বীপে ট্যুর?
আসলে ডলি চাওয়ালা ব্যাপারস্যাপারই আলাদা। স্টাইলিশ এই চাওয়ালা এখন ইন্টারনেটে বেশ জনপ্রিয়। কায়দা করে তাঁর চা বানানোর পদ্ধতি পছন্দ করেন নেটিজেনরা। কিছুদিন আগে মাইক্রোসফ্ট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে চা খাওয়ানোর পর থেকে ডলি আবারও ইন্টারনেট সেনশেসন হয়ে উঠেছেন। মানুষ ডলি চাওয়ালা সম্পর্কে জানতে চাইছে। সবাই জানতে চায়, মাসে কত টাকা উপার্জন করেন এই চা বিক্রেতা?
ডলির আসল নাম সুনীল পাটিল। মহারাষ্ট্রের নাগপুরের বাসিন্দা। চা বেচেই সংসার চলে। আপাতত ইনস্টাগ্রামে তাঁর ১১ হাজারেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে।
ডলি চাওয়ালা প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চা বিক্রি করেন। এক কাপ চায়ের দাম শুরু হয় ৭ টাকা থেকে। প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৫০০ কাপ চা বিক্রি করেন। ডলি নিজেই জানিয়েছিলেন, চা বেচে তাঁর রোজের আয় প্রায় ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা। সেই হিসেব করলে ডলি লাখ লাখ টাকার মালিক। চা বিক্রিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে নানারকম আদব-কায়দা করেন তিনি। নিত্য নতুন রিলস বানিয়ে নেটিজেনদের আনন্দ দেন। আর তাতেই তাঁর দোকানে খদ্দের বাড়ছে। চায়ের বিক্রিবাটাও বাড়ছে। রোজগারও বেড়ে চলেছে।
ডলি বলেছেন, “আমি খুব সাউথের ছবি দেখি। সেখানকার হিরোদের স্টাইল নকল করি। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চা খাওয়াতে চাই।”