
শেষ আপডেট: 22 February 2023 10:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যুগযুগান্ত ধরে মেকআপ (Makeup) মহিলাদের রূপটানের অন্যতম অংশ। পড়ুয়া হন বা কর্মরত মহিলা, কিংবা গৃহবধূ, কমবেশি প্রসাধনী সকলেই ব্যবহার করে থাকেন। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে মেকআপ ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। যেমন অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন প্রসাধনীতে থাকা রাসায়নিক গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই চিকিৎসকরা মেকআপ ব্যবহার করতে বারণ করেন ওই সময়। তবে সেসব পরামর্শ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার (Childbirth) ঠিক আগে প্রসব বেদনা (Labour pain) নিয়েই পুরোদস্তুর মেকআপ করে নেট দুনিয়ায় চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছেন এক মার্কিন তরুণী।
২৩ বছর বয়সি কারলি টেম্পল মিসিসিপির বাসিন্দা। সম্প্রতি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। প্রসাব বেদনা ওঠার সময় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে পুরোদস্তুর মেকআপ করতে দেখা গেছে কারলিকে। তাঁর চোখে আইশ্যাডো, ফলস আইল্যাশ এবং মাস্কারা লাগানোর ছবি নেটমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। কারলির মেকআপ আর্টিস্ট এবং হেয়ার স্টাইলিস্ট জানিয়েছেন, সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় কারলি চাননি, তাঁকে খারাপ দেখতে লাগুক। সদ্যোজাত সন্তানের সঙ্গে যখন পরিবারের সকলের ছবি তুলবেন, তখন শুধুমাত্র তাঁকে বিধ্বস্ত দেখাক, তা একেবারেই অভিপ্রেত ছিল না তাঁর কাছে।
'প্রথম সন্তান জন্মের সময় আমার ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে গিয়েছিল। আমার এক বন্ধু মেকআপ করিয়ে দিয়েছিল যাতে আমাকে ঝকঝকে এবং সুন্দর দেখতে লাগে। হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে আমি নিজেই চুল বেঁধেছিলাম। প্রসব বেদনা উঠেছিল, কিন্তু আমার মন মেজাজ ভাল ছিল,' জানিয়েছেন কারলি।
তিনি আরও জানিয়েছেন, 'বেশিরভাগ মহিলাদেরই দেখি সন্তান জন্মের সময় ঘেমে-নেয়ে যান। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম আমাকে যেন ওই সময়টা সুন্দর দেখায়, তাতে আমার মন ভাল থাকবে। ছোট্ট অতিথি যখন পৃথিবীতে আসবে তখন সে যেন আমাকে খুব সুন্দর অবস্থায় দেখতে পায়।'
'যখন আপনি জানেন আপনাকে সুন্দর দেখতে লাগছে, সেটা একটা দারুণ অনুভূতি, এতে আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়,' দাবি কারলির।
বিষয়টি জেনে নেটিজেনদের অনেকেই হতবাক। তাঁদের একটি অংশ কারলিকে সমর্থন জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, নতুন মা নিজের চেহারা, শরীর নিয়ে খুশি থাকলে সন্তানকেও তিনি ভালভাবে বড় করতে পারবেন। অন্য একদলের অবশ্য বক্তব্য, এই সময় রাসায়নিকযুক্ত প্রসাধনী বেশি ব্যবহার না করাই ভাল।
অতি প্রবল ভূমিকম্পে থরথর করে কাঁপবে হিমাচল-উত্তরাখণ্ড, কী বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা?