Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

লোহিত সাগরের নীচে মৃত্যুর হাতছানি! কী আছে সেই গা ছমছমে উপত্যকায়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোহিত সাগরের (Red Sea) নীচে উদ্ধার হল মৃত্যু উপত্যকা (Deadly Pool)। মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু গবেষক সমুদ্রের পৃষ্ঠদেশ থেকে ১.৭ কিলমিটার নীচে এই মৃত্যু উপত্যকার হদিশ পেয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, লোহিত সাগরের এই অংশে লবণ

লোহিত সাগরের নীচে মৃত্যুর হাতছানি! কী আছে সেই গা ছমছমে উপত্যকায়

শেষ আপডেট: 8 August 2022 06:19

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোহিত সাগরের (Red Sea) নীচে উদ্ধার হল মৃত্যু উপত্যকা (Deadly Pool)। মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু গবেষক সমুদ্রের পৃষ্ঠদেশ থেকে ১.৭ কিলমিটার নীচে এই মৃত্যু উপত্যকার হদিশ পেয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, লোহিত সাগরের এই অংশে লবণের মাত্রা অত্যধিক বেশী এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া চলতে থাকে সবসময়।

এই মৃত্যু উপত্যকার নাম ব্রাইন পুল। পৃথিবীর সবচেয়ে মারাত্মক জায়গা। যে কোনও প্রাণ নিমেষের মধ্যে শেষ করে দেওয়ার জন্য এর মত ভয়ঙ্কর জায়গা পৃথিবীতে কমই আছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই ধরনের উপত্যকার আবিষ্কার পৃথিবীতে সমুদ্রের গোড়ার দিকের কথা খুঁজে পেতেও সাহায্য করবে।

এক সপ্তাহ আগে ন্যাশনাল ওসিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাট্মসফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে কিছু গর্তের সন্ধান পায়। এখন সেইসব ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই সংস্থা সারা পৃথিবীর মানুষের কাছ থেকে তাঁরা এই গর্তগুলির ব্যাপারে কিছু জানেন কী না, তা জানতে চাইছে। যদিও এই সংস্থা প্রাথমিকভাবে বলেছে যে এই গর্তগুলিকে দেখে মনে হচ্ছে মানুষেরই করা। তাঁরা হয়ত কোনও কিছুর উদ্দেশে খননকার্য চালিয়েছিলেন সেখানে।

এই গর্তগুলি উদ্ধারের এক সপ্তাহ পরেই খোঁজ মিলল লোহিত সাগরের নীচে মৃত্যু উপত্যকার। বিরাট পৃথিবীর বেশীরভাগ অংশ আজও আমাদের অজানা। মহাকাশ থেকে সমুদ্র, বিশাল অজানার গভীরে ডুব দিয়ে খোঁজ করার কোনও শেষ নেই মানুষের।

বাঘের বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে ওরাংওটাং! মাতৃত্বের আশ্চর্য নিদর্শনে মুগ্ধ নেটদুনিয়া


```