
শেষ আপডেট: 1 April 2023 11:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছোট্ট গরু। পৃথিবীতে এসেছে, মাত্র কয়েকদিন হল। এক সপ্তাহও বয়স নয় তার। কিন্তু জন্মের পর থেকেই সে নাকি 'হ্যাপি' (happy)। এতটাই, যে তার নামও রাখা হয়েছে হ্যাপি। আর সেই ছোট্ট হ্যাপিকে দেখতে রীতিমতো ভিড় জমাচ্ছেন দেশ-বিদেশের মানুষজন।
কিন্তু ব্যাপারটা কী?
ব্যাপার খুবই চমকপ্রদ। চলতি সপ্তাহেই অস্ট্রেলিয়ার (Australia) পশ্চিম গিপসল্যান্ড এলাকার রিপলারব্রুকের একটি ফার্মে জন্ম হয় একটি গরুর। এমনিতে সে দেখতে আর পাঁচটা বাছুরের মতোই। কিন্তু আসল মজা লুকিয়ে রয়েছে তার চামড়ার 'প্রিন্টে'। তার মুখের বেশিরভাগ অংশই কালো। আর মুখ ছাড়া শরীরের বাকি অংশের বেশিরভাগটাই সাদা। সেই সাদা চামড়ার উপরেই বাঁদিকে তার পেটের উপর কালো রঙের এমন কিছু ছাপ রয়েছে যা দেখতে অবিকল হ্যাপি স্মাইলির মতো (Calf Born With Smiley)। এক ঝলক দেখলেই মনে হবে, কেউ যেন হাসিমুখে তাকিয়ে রয়েছে। আর সেই কারণেই তার নাম রাখা হয় হ্যাপি।
ফার্মটির মালিক মেগান এবং ব্যারি কোস্টার। গরুর ব্রিডিং করানোই তাঁদের পেশা। প্রতিবছর তাঁদের ফার্মে অন্তত ৭০০ বাছুরের জন্ম হয়। কিন্তু চলতি সপ্তাহে জন্ম নেওয়া এই বছরটিকে দেখে হতবাক হয়ে যান ব্যারি নিজেও। তিনি জানিয়েছেন, এর আগে বাছুরের গায়ে অনেক রকমের অদ্ভুত ছাপ দেখেছেন। কারও গায়ে সংখ্যা আকৃতির ছাপ, তো কারও গায়ে হার্ট শেপ ছাপ। তবে হ্যাপি সেদিক থেকে সত্যিই অনন্য। 'আমরা অনেক কিছু দেখেছি। কিন্তু এরকম স্মাইলির মতো দেখতে কোনও কিছু আগে দেখিনি,' জানিয়েছেন ব্যারি।
হ্যাপির যখন জন্ম হয়, তখন সেখানে মেগান ছিলেন না। হ্যাপি গায়ে অদ্ভুত স্মাইলি ছাপ লক্ষ্য করতেই ছবি তুলে স্ত্রীকে পাঠিয়ে দেন ব্যারি। দেখে হতবাক হয়ে যান মেগানও।
'আমি তো প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। আমি ছবিটা জুম করে বারবার দেখছিলাম এটা বোঝার জন্য যে আমাদের কোন কর্মী ওর গায়ে কোনও দাগ এঁকে দিয়েছে কিনা,' জানিয়েছেন মেগান।
হ্যাপির ছবি নেটমাধ্যমে শেয়ার করেন দম্পতি। তারপরেই তা এক প্রকার ভাইরাল হয়ে যায়। আর রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে ওঠে হ্যাপিও। এখন তাকে দেখতে রোজ উৎসাহী লোকজনের ভিড় লেগেই রয়েছে মেগান-ব্যারির ফার্মে। মেগান জানিয়েছেন, হ্যাপিকে অনেকেই পোষ্য হিসেবে রাখতে চেয়েছেন। এমনকী, তাঁদের ফার্মের কিছু কর্মীও সে ব্যাপারে উৎসাহ দেখিয়েছেন। এছাড়া তাকে বাগানের ঘাসের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের জন্য লনমোয়ার (Lawnmower) হিসেবেও কাজে লাগানোর কথা ভাবা হচ্ছে।
মেগান জানিয়েছেন, হ্যাপি খুবই ছটফটে এবং মিষ্টি স্বভাবের একটি বাছুর। সপ্তাহখানেক মাত্র বয়স, এর মধ্যেই নিজের স্বভাবে সকলের মন জয় করে নিয়েছে সে। দিব্যি খাওয়া-দাওয়াও করছে। তাকে একবার দেখার জন্য অতিথি অভাবে তোদের ভিড় লেগেই রয়েছে। 'আমরা জানি, হ্যাপি সকলের মুখে হাসি আনবেই,' দাবি মেগান-ব্যারির।
কোচবিহারের রাস্তায় বান্ডিল বান্ডিল উচ্চমাধ্যমিকের খাতা! সংসদকে ফোন শিক্ষকের