
শেষ আপডেট: 21 July 2022 06:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালয়লাম সাহিত্য জগতের পিতামহী বলা হয় কবি বালামানি আম্মাকে (Balamani Amma)। আজ, ১৯ জুলাই তাঁর ১১৩তম জন্মদিন। কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর জন্মদিন উদযাপন করছে গুগল। গুগল ডুডলের (Google Doodle) মাধ্যমে বালামানি আম্মার একটি বিশেষ গ্রাফিক তৈরি করেছে। ডুডলটির নকশা করেছেন কেরলের শিল্পী দেবিকা রমাচন্দ্রন (Devika Ramchandran)।
১৯০৯ সালের ১৯ জুলাই বালামানি আম্মা জন্মগ্রহন করেন থ্রিসুর জেলার পুন্নায়ুরকুলামে। দেশের অন্যতম সাহিত্য সম্মান ‘সরস্বতী সম্মান’ ও সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম পুরস্কার ‘পদ্মবিভূষণ’ও রয়েছে আম্মার ঝুলিতে। এ ছাড়াও অজস্র সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি।
কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না আম্মার। কিন্তু বাড়িতেই তাঁর কাকা নালাপ্পাত নারায়ণ মেননের কাছে শিক্ষা গ্রহন করেন তিনি। আম্মার কাকাও ছিলেন একজন কবি। কাকার বইয়ের ভান্ডার ছোটবেলা থেকেই আত্মস্থ করতে শুরু করেন আম্মা। ১৯ বছর বয়সে মালয়লাম খবরের কাগজ ‘মাথ্রুভূমি’-র সম্পাদক ভিএম নায়ারের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।
১৯৩০ সালে, আম্মার বয়স যখন ২১, তখন তাঁর প্রথম কবিতা ‘কপ্পুকাই’ প্রকাশিত হয়। তাঁর কবিতাগুলোতে অনেক বেশি করে উঠে এসেছে মেয়েদের কথা। প্রথম জীবনের কবিতাগুলিতে মাতৃত্বকালীন সময়ের আস্বাদ পাওয়া যায়। এই সময় থেকেই আম্মাকে ‘মাতৃত্বের কবি’ আখ্যা দেওয়া হয়।
তাঁর কাজ ও ভাবনাতে মাইথলোজির প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়। তিনি তাঁর মহিলা চরিত্রগুলিকে এমনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যাতে তাঁরা সাধারণ হয়েও হয়ে উঠেছেন অসাধারণ। তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য, আম্মা (১৯৩৪); মুথাসসি (১৯৬২) এবং ‘মাজুবিন্তে কথা’ (১৯৬৬)।
১৯৮৪ সালে নোবেল পুরস্কারের জন্য সাহিত্য বিভাগ থেকে নমিনেশন পেয়েছিলেন বালামি আম্মার সুযোগ্যা কন্যা কমলা দাস। ২০০৪ সালে বালামি আম্মা মৃত্যু বরণ করেন।
‘তাড়ার চোটে ভালবাসাটাও ঠিক করে কইতে পারছেন না?’ সিরিয়ালের প্রোমো ঘিরে হাসির রোল