
শেষ আপডেট: 9 March 2023 13:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) ভিদা গ্রামের এক অদ্ভুত নিয়ম দেখে অবাক হতে হয়। হোলির এই রঙিন মরশুমে গ্রামের অধিকাংশ পুরুষই নাকি নিখোঁজ হয়ে যান। পুরনো প্রথা হিসেবেই পালন করা হয় হারিয়ে যাওয়ার এই রীতি। গ্রামে এই প্রথা পালন করা হয় ঠিক হোলি (Holi) উৎসবের আগে। যাকে ওখানে চলতি ভাষায় বলা হয় ধুলওয়াডি। নিয়ম অনুযায়ী, গ্রামের প্রত্যেক জামাইকে গাধার পিঠে করে চড়িয়ে গোটা গ্রাম ঘোরাতে হবে। তবে এবছর সেসব হওয়ার আগেই দেখা গেছে গ্রামে উপস্থিত ২০০ জামাই পলাতক (missing)। এমনকি তাদের খোঁজার জন্য গ্রামের মানুষেরা মিলে জামাই খুঁজে বের করার কমিটি গঠন করেন। অনেক খুঁজে উৎসবের দুদিন আগে একজন জামাইকে পাওয়া গেলে তাঁকেই পাকড়াও করে আনা হয়।
কি এই প্রথা?
উৎসবের দিন সকালে একটি গাধাকে ধরে নিয়ে আসা হয় গ্রাম পঞ্চায়েতে। তারপর সেই বাহককে সাজানো হয় জুতোর মালা দিয়ে। এরপর শুরু হয় প্যারেড, গ্রামের ভিতর দিয়ে ঘুরে ঘুরে জামাই-সওয়ারি সহ গাধা ওঠে প্রধান রাস্তায়। সঙ্গে থাকে বাজনার তীব্র আওয়াজ আর গানবাজনা। এরপর শুরু হয় উপহার দেওয়ার পালা। গ্রামবাসীরা নতুন জামা কাপড় তুলে দেয় জামাইয়ের হাতে। এছাড়াও, গাধার পিঠে সওয়ারি হওয়া সেই জামাই নিজের পরিবারের থেকে পায় সোনার আংটি।
প্রথা যাই হোক, উপহার কিন্তু বেশ ভালই পাওয়া যায়। তবুও উৎসবের দুদিন আগে কী করে জামাইরা পালিয়ে যাচ্ছে এই নিয়ে চিন্তায় গ্রামের মাতব্বরেরা। তাঁদের কথায়, এতবছরের প্রথা মেনে তো চলতেই হবে। আর সেই প্রথা রাখতেই গঠন করা হয় জামাই খোঁজার কমিটি। যদিও জামাইদের রীতিমতো ধরে বেঁধেই আনতে হয় তবে গ্রামবাসীরা এটাও খেয়াল রাখে যাতে তাঁদের কোনও অসুবিধে না হয়। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে তাঁরা পালন করে চলেছে তাঁদের তৈরি করা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
গান্ধীজি ‘হিন্দু’ নেতা, ভারতীয় হিন্দুরা বিশ্বাসযোগ্য নয়! পাক পাঠ্যবইয়ের ছত্রে ছত্রে ভারতবিদ্বেষ