
শেষ আপডেট: 26 August 2023 15:18
ইউরি গ্যাগারিনকে নিয়ে মহাকাশে উড়ে যাচ্ছে ভোস্তক-ওয়ান মহাকাশযান[/caption]
সোভিয়েত ইউনিয়নের সাফল্যে একটুও না দমে, পরের মাসেই আমেরিকা মহাকাশে পাঠিয়ে দিয়েছিল টেস্ট-পাইলট অ্যালান শেপার্ডকে। তিনি নিজেই মহাকাশযান চালিয়ে মহাকাশে ঘুরে সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে এসেছিলেন। এটাই ছিল বিশ্বের প্রথম চালক পরিচালিত মহাকাশ অভিযান। বদলা হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৬৩ সালে ভোস্তক-৬ মহাকাশযানে করে মহাকাশে পাঠিয়েছিল ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভাকে। প্রথম মহিলা নভচারী হিসেবে মহাকাশ ভ্রমণ করেছিলেন ভ্যালেন্তিনা। পৃথিবীর দুই শক্তিশালী দেশের মধ্যে যখন মহাকাশে শক্তি প্রদর্শনের লড়াই চলছিল, তখন কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা ভারতবর্ষে বসে মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন দেখছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তাঁর নাম ডঃ বিক্রম আম্বালাল সারাভাই।
[caption id="attachment_280312" align="aligncenter" width="508"]
ডঃ বিক্রম সারাভাই[/caption]
স্বপ্নকে সফল করার জন্যই, ১৯৬২ সালে ডঃ সারাভাই তৈরি করেছিলেন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি অফ স্পেস রিসার্চ (INCOSPAR)। আমেরিকা থেকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছিলেন বিজ্ঞানী একনাথ বসন্ত চিটনিসকে। গঠন করেছিলেন ভারতের প্রথম মহাকাশ গবেষকদের দল। ডঃ সারাভাই নিজে সেই দলের বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের নির্বাচন করেছিলেন। নির্বাচিত দলটিতে ছিলেন এ.পি.জে. আব্দুল কালামও। মহাকাশ গবেষকদের দল গঠনের পর বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়রদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল নাসায়। সাউন্ডিং রকেটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জোড়ার ট্রেনিং নেওয়ার জন্য। আমেরিকার ওয়ালপ আইল্যান্ড লঞ্চিং স্টেশনে হয়েছিল ভারতীয়দের ট্রেনিং।
বিজ্ঞানীরা যখন নাসায় ট্রেনিং নিতে ব্যস্ত, ডঃ সারাভাই তখন ভারতের সমুদ্রতট সংলগ্ন এলাকায় তন্ন তন্ন করে খুঁজছেন, মহাকাশে রকেট নিক্ষেপ করার মতো উপযুক্ত স্থান। এভাবেই একদিন ঘুরতে ঘুরতে ডঃ সারাভাইয়ের প্রধান সহযোগী, বিলেত ফেরত বিজ্ঞানী একনাথ বসন্ত চিটনিস পৌঁছে গিয়েছিলেন কেরালার মৎস্যজীবীদের গ্রাম থুম্বায়। সারি সারি নারকেল গাছ, তালপাতা দিয়ে ছাওয়া কয়েকশো কুঁড়ে ঘর এবং একটি ক্যাথলিক চার্চ নিয়ে গড়ে ওঠা থুম্বা গ্রাম। সামনে শান্ত আরব সাগরের ঘন নীল জলরাশি।
[caption id="attachment_280320" align="alignnone" width="561"]
থুম্বা গ্রাম[/caption]
যন্ত্রপাতি নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েছিলেন ডঃ চিটনিস। সহযোগীদের নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে ঢুকে পড়েছিলেন গ্রামের সেন্ট মেরি ম্যাগডেলিন চার্চে। জায়গাটির অবস্থান মাপতে গিয়ে চমকে উঠেছিলেন তাঁরা। পৃথিবীতে থুম্বা গ্রামটির অবস্থান ৮°৩২’৩৪” উত্তর অক্ষাংশে ও ৭৬°৫১’৩২” পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এবং পৃথিবীর চৌম্বকীয় নিরক্ষরেখার ওপর অবস্থিত চার্চটি। ডঃ চিটনিস বুঝতে পেরেছিলেন বায়ুমণ্ডলের নানান স্তর ও আয়নোস্ফিয়ার সংক্রান্ত গবেষণার জন্য ভারতের মধ্যে আদর্শতম জায়গা হল এই থুম্বা গ্রাম। আর এই থুম্বা গ্রামের মধ্যে রকেট লঞ্চিং স্টেশন বানানোর আদর্শতম জায়গা হল চার্চ ও চার্চ সংলগ্ন বাগান। রকেট লঞ্চিং স্টেশন তৈরি করার জন্য আদর্শ জায়গা খুঁজে পাওয়ায় ভীষণ খুশি হয়েছিলেন ডঃ সারাভাই।
[caption id="attachment_280330" align="alignnone" width="513"]
থুম্বা গ্রামটিকে আবিষ্কার করেছিলেন বিজ্ঞানী একনাথ বসন্ত চিটনিস[/caption]
কিন্তু সমস্যা হল রকেট লঞ্চিং স্টেশন বানানোর জন্য প্রচুর জায়গার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে পুরো থুম্বা গ্রাম, চার্চ ও চার্চ সংলগ্ন জমিটিও অধিগ্রহণ করতে হবে। কিন্তু চার্চ কর্তৃপক্ষ কি রাজি হবে চার্চ ও চার্চের জমি ছেড়ে দিতে! কারণ চার্চটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা ইতিহাস। জনশ্রুতি থেকে জানা গিয়েছিল, ১৫৪৪ সালে থুম্বা গ্রামের চালাঘরে এই চার্চটি শুরু করেছিলেন সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার। সেই চার্চটিই বিংশ শতাব্দীতে কংক্রিট দিয়ে পুনর্নিমিত হয়েছিল। গ্রামের এক মৎস্যজীবী চন্দন কাঠ দিয়ে মেরি ম্যাগডেলিনের মূর্তি বানিয়েছিলেন। কিন্তু মূর্তিটি অলৌকিকভাবে সমুদ্রে ভেসে গিয়েছিল। সেই থেকে চার্চটির নাম হয়ে গিয়েছিল সেন্ট মেরি ম্যাগডেলিন চার্চ।
ডঃ সারাভাই চার্চ অধিগ্রহণের মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর প্রস্তাব নিয়ে ত্রিবান্দমের বিশপের সঙ্গে নিজে দেখা করেছিলেন। চার্চের পাশেই একটি বাড়িতে তিনি থাকতেন। ডঃ সারাভাই বিশপকে জানিয়েছিলেন, ভারতের প্রথম রকেট লঞ্চিং স্টেশন তৈরির জন্য চার্চ ও চার্চের সব জমি অধিগ্রহণ করতে চায় ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি অফ স্পেস রিসার্চ। থুম্বা গ্রামটিও খালি করে দিতে হবে। তার পরিবর্তে অন্য জায়গায় নতুন গ্রাম ও চার্চ বানিয়ে দেওয়া হবে। ডঃ সারাভাইয়ের মুখে সব শুনে রেভারেন্ড বারনার্ড পেরেরা হ্যাঁ বা না কিছুই বলেননি। ডঃ সারাভাইকে বলেছিলেন রবিবারে চার্চের প্রার্থনা সভায় হাজির থাকার জন্য।
[caption id="attachment_280333" align="alignnone" width="650"]
থুম্বার সেন্ট মেরি ম্যাগডেলিন চার্চ[/caption]
রবিবারের সকাল। ধর্মভীরু গ্রামবাসীরা চার্চে ভিড় করেছিলেন। হাজির ছিলেন ডঃ সারাভাই ও তাঁর সহযোগী বিজ্ঞানীরাও। উপস্থিত গ্রামবাসীর সামনে রেভারেন্ড বারনার্ড পেরেরা দিয়েছিলেন সংক্ষিপ্ত অথচ এক মর্মস্পর্শী ভাষণ,
" আমার সন্তানেরা, আমার সঙ্গে আছেন ভারতের একজন সেরা বিজ্ঞানী ডঃ বিক্রম সারাভাই, যিনি রকেট উৎক্ষেপনের জন্য চার্চ ও চার্চ সংলগ্ন সমস্ত জমি নিতে চাইছেন এবং যেখানে আমি থাকি সেই বাড়িটিতেই বানাতে চাইছেন ভারতের প্রথম মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র। তোমরা জানো, বিজ্ঞান মানুষের কল্যাণের জন্যেই সত্যকে খোঁজে। অন্যদিকে আধ্যাত্মিক গুরুরা মানুষের কল্যাণের জন্যেই ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন। অতয়েব বিক্রম যা করছেন এবং আমি যা করছি, তা আসলে এক। বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা উভয়েই মানুষের শারীরিক ও মানসিক কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করে। তাই আমার সন্তানেরা, আমরা কি আমাদের ঈশ্বরের এই আবাসকে বিজ্ঞানের হাতে তুলে দেব?"
[caption id="attachment_280339" align="alignnone" width="462"]
বিশপ বার্নাড পেরেরা[/caption]
নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল চার্চ। কারও মুখে কোনও কথা ছিল না। বিজ্ঞানীদের রক্তচাপ বাড়তে শুরু করেছিল। তাহলে সব চেষ্টা বিফলে গেল! হঠাৎ পিছন দিক থেকে ভেসে এসেছিল একটি শব্দ,"আমেন"। পরমুহূর্তে 'আমেন' শব্দটির জোরালো পুনরাবৃত্তিতে কাঁপতে শুরু করেছিল চার্চ। হাসি ফুটে উঠেছিল বিশপের মুখে। হাসি ফুটে উঠেছিল ডঃ বিক্রম সারাভাই ও বাকি বিজ্ঞানীদের মুখেও। সেইদিনই ভারতের মহাকাশ জয়ের ভিত গেঁথে দিয়েছিলেন চার্চে উপস্থিত গ্রামবাসীরা। যাঁরা দেশের স্বার্থে নিজের জন্মভিটা ছেড়ে অন্যত্র উঠে যেতে রাজি হয়েছিলেন।
এরপর দ্রুত জমি অধিগ্রহণের কাগজপত্র তৈরি হয়ে গিয়েছিল। গ্রামবাসীদের জন্য দূরে বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল সমস্ত সুবিধা যুক্ত নতুন একটি গ্রাম। সেই গ্রামের মাঝে নতুন করে মাথা তুলেছিল সেন্ট মেরি ম্যাগডেলিন চার্চ। তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল বিশপের বাড়িও। এবং এই সবই হয়েছিল মাত্র একশো দিনের মধ্যে।
[caption id="attachment_280343" align="alignnone" width="532"]
কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা[/caption]
গ্রামবাসীরা গ্রাম ছাড়ার পরের দিনই কর্মযজ্ঞে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। বিশপের অফিস হয়ে গিয়েছিল মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের অফিস। চার্চ হয়ে গিয়েছিল বিজ্ঞানীদের ওয়ার্কশপ। চার্চের গোয়ালগুলির কয়েকটিকে ল্যাবরেটরির রূপ দেওয়া হয়েছিল। কয়েকটিকে করা হয়েছিল গোডাউন। চার্চের বিশাল বাগানে তৈরি করা হয়েছিল 'লঞ্চ প্যাড'। আরব সাগরের ধারে, নারকেল গাছের ছায়া ঘেরা গ্রামে, এভাবেই গড়ে উঠেছিল 'থুম্বা ইকুয়েটরিয়াল রকেট লঞ্চিং স্টেশন' (TERLS)। পরবর্তীকালে যার নাম দেওয়া হয়েছিল 'বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার'।
থুম্বা ইকুয়েটরিয়াল রকেট লঞ্চিং স্টেশন স্থাপন করা হলেও, বিজ্ঞানীদের জন্য ছিল না বিশেষ কোনও রকম সুযোগ সুবিধা। থাকার ব্যবস্থা থাকলেও, ছিল না খাবারের ব্যবস্থা। বিজ্ঞানীরা সাইকেলে রোজ কয়েক মাইল পথ পাড়ি দিয়ে ত্রিবান্দম রেল স্টেশনের হোটেলে যেতেন খাবার খেতে। রাতের খাবার নিয়ে আসতেন টিফিন ক্যারিয়ার করে। সাইকেলে যেতে হত, কারণ রকেট লঞ্চিং স্টেশনের একমাত্র জিপটি সবসময় ব্যস্ত থাকত সরকারি অফিসারদের কাজে।
[caption id="attachment_280342" align="aligncenter" width="647"]
সাইকেল ও গরুর গাড়িতে বহন করা হচ্ছে রকেটের অংশ[/caption]
এমনকি রকেটের যন্ত্রাংশ রেল স্টেশন থেকে রকেট লঞ্চিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হলেও বিজ্ঞানীদের নির্ভর করতে হত নিজেদের সাইকেল কিংবা গরুর গাড়ির ওপর। সারা সপ্তাহ চূড়ান্ত ব্যস্ততায় কাটাতেন বিজ্ঞানীরা। রবিবার ছুটির দিনে কিছু করার থাকতো না। দল বেঁধে বিজ্ঞানীরা সাইকেলে করেই কোভালাম বা শঙ্কুমুখম সৈকতে বেড়াতে যেতেন। নয়তো হলিউডের সিনেমা দেখতে যেতেন শ্রীকুমার থিয়েটারে।
রকেটের সব যন্ত্রাংশ থুম্বায় এসে পৌঁছানোর পর, চার্চের ভেতর থাকা ওয়ার্কশপে শুরু হয়েছিল রকেটের যন্ত্রাংশ জোড়ার কাজ। বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তর নিয়ে গবেষণার জন্য নাইকি-অ্যাপাচে সাউন্ডিং রকেটটি ভারতকে দিয়েছিল আমেরিকা। সাউন্ডিং রকেট সাধারণত ৪৮ থেকে ১৪৫ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত গবেষণার যন্ত্রপাতি বয়ে নিয়ে যায়। পদার্থবিদ্যা, জ্যোতির্বিজ্ঞান ও আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণার কাজে এই সাউন্ডিং রকেট ব্যবহার করা হয়।
[caption id="attachment_280316" align="alignnone" width="3173"]
লঞ্চ প্যাডে নাইকি-অ্যাপাচে সাউন্ডিং রকেট। দূরে দেখা যাচ্ছে বিজ্ঞানীর সাইকেল।[/caption]
২১ নভেম্বর, ১৯৬৩। বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের ছ'মাসের প্রাণপাত পরিশ্রমের পর এসেছিল সেই ঐতিহাসিক দিন। মহাকাশে প্রথমবার পাড়ি দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল ভারত। ইতিহাস গড়ার খবরটি পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন কোটি কোটি ভারতবাসী। ঐতিহাসিক মুহূর্তটির সাক্ষী হওয়ার জন্য চার্চের বাগানে তৈরি করা লঞ্চ-প্যাডে উপস্থিত হয়েছিলেন ভারতের পরমাণু গবেষণার জনক ডঃ হোমি জাহাঙ্গির ভাবা, খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ও আবহাওয়াবিদ ডঃ পিশারথ রামা পিশারোটি, কেরালার গভর্নর, কালেক্টর ও রেভারেন্ড বারনার্ড পেরেরা।
[caption id="attachment_280345" align="alignnone" width="537"]
শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি[/caption]
কিন্তু বিনামেঘে বজ্রপাতের মতোই বিজ্ঞানীদের ঘিরে ধরেছিল নানান সমস্যা। হঠাৎ করেই গরম হাওয়া বইতে শুরু করেছিল থুম্বার ওপর দিয়ে। হাওয়ার গতিবেগ ক্রমশ বেড়েই চলেছিল। রকেটটিকে লঞ্চারে দাঁড় করানোর সময় হাইড্রলিক ক্রেনটিতে দেখা দিয়েছিল সমস্যা। হাতে করে রকেটটিকে দাঁড় করাতে হয়েছিল। রকেটটি লঞ্চারে দাঁড় করাবার পর লঞ্চারের রিমোট সিস্টেমে গণ্ডগোল দেখা দিয়েছিল। কিন্তু ডঃ সারাভাইয়ের নেতৃত্বে সব বাধা কাটিয়ে উঠেছিলেন বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারেরা। কারণ, তাঁরা ভারতের মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন ভাঙতে না দেওয়ার পণ করেছিলেন। একসময় এলাকা খালি করার সাইরেন বেজেছিল।
[caption id="attachment_280350" align="aligncenter" width="316"]
মহাকাশে অভিযান শুরু করল ভারত[/caption]
বিকেল ছ'টা বেজে পঁচিশ মিনিট। রকেট থেকে বেরিয়ে আসা ধোঁয়ার মেঘ ঘিরে ফেলেছিল লঞ্চ প্যাড। সূর্য অস্ত যাওয়ার মুহূর্তে, থুম্বার বুক থেকে উল্কাগতিতে অন্তরিক্ষের পথে ছুটে গিয়েছিল ভারতের প্রথম রকেট। মহাকাশের বুকে গিয়ে লিখেছিল ভারতের নাম।