.webp)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
শেষ আপডেট: 28 May 2024 13:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় শেষ দফায় ৯টি আসনে ভোট এখনও বাকি। সেজন্য মঙ্গলবার বিকেলে বারুইপুরে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সন্ধেয় কলকাতায় রোড শো করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী দাবি করলেন, বাংলায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে একপেশে লড়াই হচ্ছে। আর সেই লড়াইয়ে তৃণমূল স্রেফ অস্তিত্ব বাঁচানোর জন্য লড়ছে।
উত্তর ও পশ্চিম ভারতের অধিকাংশ রাজ্যে বিজেপির শক্তি ও আসন সংখ্যা সম্পৃক্ত অবস্থায় পৌঁছে গেছে। রাজস্থান, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি, হরিয়ানা কোথাও আসন বাড়ানোর জায়গা নেই। তাই পূর্বে ও দক্ষিণে এবার অতিশয় নজর দিয়েছিলেন মোদী-শাহরা। বাংলায় প্রধানমন্ত্রীর সভার সংখ্যা ও বহরেই তা প্রমাণিত।
সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “বাংলার ভোটে তৃণমূল দল কেবল টিকে থাকার জন্য লড়াই করছে। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন বাংলায় বিজেপির ৩টে আসন ছিল। সেখান থেকে বেড়ে ৮০ হয়েছে (আসলে হয়েছিল ৭৭)। গত লোকসভা ভোটে আমরা প্রচুর সমর্থন পেয়েছিলাম। গোটা দেশের মধ্যে বাংলা বিজেপির বেস্ট পারফর্মিং রাজ্য হবে। পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পাবে বিজেপি”।
বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টিতে এরই মধ্যে ভোট হয়ে গেছে। শেষ দফায় যে ৯টি আসনে ১ জুন ভোট হবে, সেই ৯টি আসনই বর্তমানে তৃণমূলের দখলে রয়েছে। বিজেপি এই দফাতেও মরণ কামড় দিতে চাইছে। বিশেষ করে উত্তর কলকাতা লোকসভা আসনটি জিততে তারা মরিয়া।
প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, “বাংলায় লাগাতার খুন আর হামলার ঘটনা ঘটছে। ভোটের আগে বিজেপিকে কর্মীদের জেলে পোরা হচ্ছে। এই সব অত্যাচার সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যক মানুষ বেরিয়ে এসে নিজের ভোট নিজে দিচ্ছেন”।
সাক্ষাৎকারে ওবিসিদের শংসাপত্র বাতিলেপ প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কলকাতা হাইকোর্ট বেআইনি ভাবে দেওয়া ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে। তৃণমূল এখন উচ্চ আদালতকে আক্রমণ করছে। বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে খারাপ কথা বলছে।
এ ব্যাপারে এদিন কংগ্রেসেরও সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “ওদের একটা সুনির্দিষ্ট ছক রয়েছে। প্রথম পাপ ওরা করেছে অন্ধ্রপ্রদেশে। সেখানে মুসলিমদের সংরক্ষণ দেওয়ার পাপ করেছে। সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের কোনও বিধান নেই। তাই সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দিয়েছে। তাই তারা এবার পিছনের দরজা দিয়ে মুসলমানদের ওবিসি-র আওতায় সংরক্ষণ দিতে চাইছে। ওবিসিদের অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে।”
প্রধানমন্ত্রীর মতে, হাইকোর্টের রায়েই পরিষ্কার যে কত বড় জালিয়াতি হয়েছে। তবে তার চেয়েও দুর্ভাগ্যজনক হল তারা ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য বিচারব্যবস্থাকেও আক্রমণ করছে। এমনকি এও বলছে, যাই হয়ে যাক আদালতের কথাও শুনবে না। এটা সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক।