
বাঁকুড়া সুকান্ত মজুমদারের প্রচার-নিজস্ব চিত্র
শেষ আপডেট: 14 May 2024 13:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বাঁকুড়া: প্রচারে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ২০১৬ সালের প্যানেলের যে শিক্ষকরা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েও চাকরি খুইয়েছেন তাদের উদ্দেশে বলেন, "এটাই সুযোগ। তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন। একা না পারলে সঙ্গে বিজেপিকে নিয়ে যান। বিজেপি ঝান্ডা এবং ডান্ডা নিয়ে গিয়ে সেই টাকা উদ্ধার করে দেবে।"
মঙ্গলবার সন্ধেয় বাঁকুড়ার কোতুলপুরে বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁয়ের সমর্থনে রোড শো করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রোড শো চলাকালীন তিনি যথেষ্ট আক্রমণাত্মক মেজাজে তৃণমূলকে বিঁধতে থাকেন। শুধু চাকরির টাকা আদায় নয়, একই সঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দুর্নীতি প্রসঙ্গেও তৃণমূলকে এক হাত নেন।
তিনি বলেন, "জনগণের টাকা এখন যে যত খাচ্ছে খেতে দিন। পরে বাইরে দড়ি দিয়ে উল্টো করে টাঙিয়ে রাখব। আর জনগণের টাকা বমি করিয়ে বের করাব।"
পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁর পরামর্শ, "বিজেপির পক্ষে হাওয়া, এরপর সুনামি আসবে। তাই আগেভাগে হাওয়া মোরগের মতো ঘুরে যান। এবার বিজেপি ৩০ এর উপর আসন পেলে এক বছরের মধ্যে নবান্নে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বসবে। হামলা হলে ব্যবস্থা নিন। না হলে বিজেপি ব্যবস্থা নেবে।" এরই সঙ্গে কর্মীদের নিদান দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, "পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে আপনারা পাল্টা ব্যবস্থা নেবেন।"
সুকান্ত মজুমদারকে তাঁর মন্তব্য সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, "অনেক গরিব বেকার ছেলে জমি বিক্রি করে চাকরির জন্য তৃণমূল নেতাদের টাকা দিয়েছে। এখন চাকরি চলে গেলে তারা কী করবে? তাকে তো টাকাটা আদায় করে দিতে হবে। সে একা না পারলে আমরাও সঙ্গে যাব। এটাই বলেছি।"
বিজেপি নেতার এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল। বিষ্ণুপুর সংগঠনিক জেলার তৃণমূলের সহ সভাপতি দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "বিজেপি নেতৃত্বকেই টাকা নিতে দেখা গেছে। এখন সন্ত্রাস ও হিংসা ছড়ানোর জন্যই এমন কথা বলে বেড়াচ্ছে তারা।"