
বাংলায় ষষ্ঠ দফার ভোট।
শেষ আপডেট: 26 May 2024 20:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার ষষ্ঠ দফা ভোট শেষ হয়েছে বাংলায়। প্রথম দফা থেকেই এবারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজিরবিহীন ঘেরাটোপ লক্ষ্য করা গিয়েছে তাই নয়, প্রতি দফায় লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
পঞ্চম দফা পর্যন্ত গড় ভোটের হার ৭৫ শতাংশের আশেপাশে ছিল। ষষ্ঠ দফায় সেখানে আটটি আসনে গড় ভোটের হার ৮২.৭১ শতাংশ! উল্টে বিষ্ণুপুরে ভোট পড়েছে প্রায় ৮৬ শতাংশ। শুভেন্দুর গড় হিসেবে পরিচিত তমলুক এবং কাঁথিতেও গড় ভোটের হার প্রায় ৮৫ শতাংশ।
সবমিলিয়ে ষষ্ঠ দফার ভোটের হার চোখে পড়ার মতো। উল্লেখ্য, এর আগে পাঁচ দফায় যখন আগের তুলনায় কম ভোট পড়ছিল তখন গেরুয়া শিবিরের তরফে বলা হচ্ছিল, জল মেশাতে পারছে না শাসকদল। যে কারণে ভোট শতাংশ ৭৩-৭৪ শতাংশে এসে থেমে যাচ্ছে।
ষষ্ঠ দফা/ ভোটের প্রদত্ত হার সামনে আসার পর শাসকদলের অনেকেই পাল্টা প্রশ্ন তুলছেন, শুভেন্দুর গড়ে তো ৮০ শতাংশ ভোট পড়ল, এবার বিজেপি কী বলবে?
কমিশনের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ষষ্ঠ দফায় প্রদত্ত ভোটের হারে শীর্ষে রয়েছে বিজেপির দখলে থাকা বিষ্ণুপুর। শতকরা প্রদত্ত ভোটের হার ৮৫.৯১ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে প্রায় যুগ্মভাবে রয়েছে শুভেন্দুর খাসতালুক হিসেবে পরিচিত তমলুক এবং কাঁথি। এখানে গড় প্রদত্ত ভোটের হার যথাক্রমে ৮৪.৭৯ শতাংশ এবং ৮৪.৭৭ শতাংশ।
একইভাবে ঝাড়গ্রামে ৮৩.৪৭ শতাংশ, ঘাটালে ৮২.১৭ শতাংশ, মেদিনীপুরে ৮১.৫৬ শতাংশ, বাঁকুড়ায় ৮০.৭৫ শতাংশ। পুরুলিয়ায় প্রদত্ত ভোটের হার ৭৮.৩৯ শতাংশ। আটটি লোকসভার বেশ কিছু বুথে গড়ে ৯০ শতাংশও ভোট পড়েছে। অতীতে বাংলার ভোটে এটাই ছিল চেনা ছবি। বিপুল এই ভোটের হার নিয়ে সেই সময় তৎকালীন শাসক বামেদের বিরুদ্ধে ছাপ্পার অভিযোগে সরব হত বিরোধীরা।
ষষ্ঠ দফার ভোটে বাংলার সেই চেনা ছবি ফিরে আসায় অনেকেই বলছেন, ৯২০ কোম্পানি বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোটে করেই বা কী লাভ হল!