.webp)
সন্দেশখালিতে 'বিজেপি ষড়যন্ত্র করেছে' বলে তোপ দেগেছেন শশী পাঁজা
শেষ আপডেট: 5 May 2024 15:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার সকাল থেকে সন্দেশখালির স্টিং অপারেশেনের ভিডিও ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে হইচই পড়ে গিয়েছে। ভিডিয়োতে গঙ্গাধর কয়াল নামে সন্দেশখালির বিজেপি নেতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, সন্দেশখালির ঘটনা পুরোটাই সাজানো। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে আসরে নেমেছে তৃণমূল।
শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে তুলোধনা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্দেশখালির মহিলাদের সম্ভ্রম বেচে দিয়েছে বিজেপি, সরব হন অভিষেক। একইভাবে রবিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে সন্দেশখালিতে 'বিজেপি ষড়যন্ত্র করেছে' বলে তোপ দেগেছেন শশী পাঁজা। রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, "সন্দেশখালিতে মিথ্যে ধর্ষণের ঘটনা বলা হয়েছে। পুরোটাই বিজেপির ষড়যন্ত্র। এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে যাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। বাংলায় মহিলাদের ক্ষমতায়ন বেশি হয়েছে তাই বাংলায় এমন কাণ্ড করেছে বিজেপি।"
স্টিং অপারেশনে গঙ্গাধর স্পষ্টত জানিয়েছেন, সন্দেশখালিতে রেখা পাত্রদের ধর্ষণের অভিযোগ সাজানো। তাঁদের ব্রেন ওয়াশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁর এও দাবি, এজন্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের টাকা ও মোবাইল দিয়ে সাহায্য করেছিলেন। এই নিয়েই বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করতে ছাড়ছে না তৃণমূল।
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ বলেন, "সন্দেশখালিতে আসল দোষী বিজেপি। মহিলাদের টাকা দিয়ে সব করেছে। দেশের কাছে বাংলাকে বদনাম করার চেষ্টা করা হয়েছে। দু:খের বিষয় জাতীয় মহিলা কমিশনও কিছু বুঝতে পারল না!"
আগাগোড়া লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্দেশখালিকে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। শুধু বঙ্গ বিজেপি নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে বাংলায় প্রচারে এসে বিজেপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বক্তব্যে সন্দেশখালির ঘটনা উঠে এসেছে। আর সন্দেশখালির স্টিং অপারেশনের পর এই নিয়েই পাল্টা বিজেপিকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে তৃণমূল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পর্যন্ত সন্দেশখালি নিয়ে লাগাতার প্রচার করে চলেছেন। বাংলায় মহিলারা কতটা অরক্ষিত তা তুলে ধরছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন সাগরিকা ঘোষ বলেন, "কোনও ছোটখাটো নেতা নয়, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বদের থেকে পুরো ষড়যন্ত্র হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে। প্রধানমন্ত্রী লাগাতার এসে সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে সওয়াল করেছেন। তবে কী তিনিও এই বিষয়ে জানতেন?"
অন্যদিকে এদিন সন্দেশখালির ঘটনায় অবিলম্বে রাজ্য পুলিশের তদন্ত দাবি করেছেন কুণাল ঘোষ। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করে তদন্ত শুরু করুক, চান কুণাল।