
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 7 June 2024 17:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: বিজেপির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে ৭৬,৮৫৩ ভোটে জয়ী হয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু হুগলির সাতটি বিধানসভার মধ্যে তিনটিতে হেরে গেছেন দিদি নম্বর ওয়ান। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবধান চুঁচুড়া বিধানসভায়। সেখানে লকেট ৮,২৮৪ ভোটে পেছনে ফেলে দিয়েছেন রচনাকে। তাই দলের প্রার্থী জিতলেও ফলাফল প্রকাশ হতেই চুঁচুড়ার তৃণমূল নেতা কর্মীদের আনন্দ ফিকে হয়ে যায়।
শুরু হয় হারের কারণ পর্যালোচনা। চুঁচুড়া বিধানসভার অন্তর্গত ব্যান্ডেল, দেবানন্দপুর, কোদালিয়া-১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার কাউন্সিলরদের নিয়ে শুক্রবার বৈঠক করেন বিধায়ক অসিত মজুমদার। সূত্রের খবর, হারের কারণ নিয়ে এই বৈঠকে প্রধান-উপপ্রধান ও উপস্থিত জন প্রতিনিধিদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিধায়ক। এরপরেই অপমানিত হয়ে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতগুলোর প্রধান ও উপপ্রধানরা মগড়া বিডিও অফিসে গিয়ে পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগ করেছেন কোদালিয়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুচেতা মান্না পাল। তিনি অবশ্য তাঁদের উপর কোনও চাপ আছে এমন কথা স্বীকার করেননি। তিনি জানান, দলের পরাজয়ের দায় নিয়েই তিনি পদত্যাগ করেছেন। তবে চুঁচুড়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ঝন্টু বিশ্বাসের অভিযোগ,"মানুষের সঙ্গে বিশেষ করে দলের কর্মী কাউন্সিলরদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের ফল এটা। কাউন্সিলরদের সঙ্গে কুকুর ছাগলের মত ব্যবহার করেন বিধায়ক। তাই এই পরাজয় হয়েছে। এমন চললে সব একদিন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে।"
বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, "চারটি পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান পদত্যাগ করেছেন। আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাই কারণ তাঁদের বিবেক আছে। তাঁরা থাকা অবস্থায় দলের পরাজয় হয়েছে। মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। কেন তা নিয়ে আরও পর্যালোচনা করব।" তবে বিজেপির সুরেশ সাউ বলেন,"পরাজয়ের দায় যদি নিতেই হয়, তাহলে বিধায়ক কেন নিচ্ছেন না। তিনিই তো চুঁচুড়ার অভিভাবক।"