
নরেন্দ্র মোদী
শেষ আপডেট: 31 May 2024 08:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার বিকালে প্রচার শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালের ধ্যানমণ্ডপমে ধ্যানে বসেছেন। গত ১৬ মার্চ কন্যাকুমারীতেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছিলেন এবারের লোকসভা নির্বাচনের প্রচার। সাত দফার ভোটের সূচনা পর্বেই দক্ষিণের ওই রাজ্যের ৪৮ আসনের ভোট নেওয়া হয়ে গিয়েছিল।
সেদিন থেকে ৩০ মে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭৫ দিনে প্রধানমন্ত্রী দুশোর বেশি জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। রোড-শো করেছেন একশোর কাছাকাছি। এছাড়া দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ৮০টি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী বরাবরের মতো এবার বেশি সভা করেছেন উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে। তবে বিগত নির্বাচনগুলির তুলনায় এবার বেশি সফর করেছেন পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র এবং ওডিশায়। শেষ দফার প্রচার শেষের আগে এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, বিজেপি এবার সবচেয়ে ভাল ফল করবে বাংলায়।
একথা ঠিক, এর আগে ইন্দিরা ও রাজীব গান্ধী ছাড়া আর কোনও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রচারে এতটা দৌড়ঝাঁপ করেননি। তবে ইন্দিরা-রাজীবদের সময় ইচ্ছে থাকলেও দেশের সব প্রান্তে যাওয়া সম্ভব হত না যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এক-দু’দিন বাদে বাকিদিন সভা শেষ করে দিল্লি ফিরে যেতেন। আগে এই সুযোগ কম ছিল। প্রচারে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রীদের দিল্লির বাইরে রাত কাটাতে হত।
টানা ছোটাছুটি, ভাষণ, রোড-শো করা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবেই প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তিনি ক্লান্ত হন না। তাঁর অফুরন্ত প্রাণ শক্তি আসলে ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এমনও দাবি করেছেন, তাঁকে দিয়ে কোনও আরাধ্য কাজ করানোর জন্যই ভগবান পাঠিয়েছেন। সেই কাজ হল, ২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারত কর্মসূচি রূপায়ন। হিসাব মতো সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর বয়স হবে ৯৬। তিনি ততদিন রাষ্ট্রীয় পদে থেকে যেতে চান কি না সেই প্রশ্নও আলোচনায় উঠে এসেছে।
টানা প্রচার শেষে প্রধানমন্ত্রীর ধ্যানে বসা নতুন নয়। ২০১৪-র লোকসভা ভোটের প্রচার শেষে তিনি ধ্যানে বসেছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রতাপগড়ে। ২০১৯-এ যান কেদারনাথে। সেখানে এক গুহায় ধ্যানে বসেছিলেন তিনি। এবার গিয়েছেন দেশের দক্ষিণ প্রান্তে।