
বীরবাহা হাসদা-কালীপদ সোরেন
শেষ আপডেট: 7 June 2024 19:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম: বিজেপির প্রার্থী ডাক্তার প্রণত টুডুকে ১ লক্ষ ৭৪ হাজার ৪৮ ভোটে হারিয়ে ঝাড়গ্রাম আসনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের প্রার্থী কালীপদ সোরেন। কিন্তু ঝাড়গ্রাম পুরসভায় ১১ টি ওয়ার্ডে হার হয়েছে তাঁর। এরমধ্যে রয়েছে মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার বাসস্থান ১৮ নম্বর ওয়ার্ডও। ঝাড়গ্রাম আসনে জয় এলেও বিষয়টি ভাবাচ্ছে জেলা নেতৃত্বকে।
২০১৯ এর লোকসভা ভোটে ঝাড়গ্রাম আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির প্রার্থী কুনার হেমব্রম। ২০২৪ এর লোকসভা ভোটের মাস-দুয়েক আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। এবার এই আসনে বিজেপি প্রার্থী করে ঝাড়গ্রাম হাসপাতালের ডাক্তার প্রণত টুডুকে। তাঁকে হারিয়েই এবার ঝাড়গ্রাম আসনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের প্রার্থী কালীপদ সোরেন। ৭ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৮টি ভোট পেয়েছেন কালীপদবাবু। অন্যদিকে ডাক্তার প্রণত টুডু পেয়েছেন ৫ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৩০ টি ভোট।
কালীপদবাবু জয়ী হলেও ঝাড়গ্রাম পুর এলাকা কিন্ত তাঁর দিক থেকে মুখ ঘুরিয়েছে। মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড -সহ পুর এলাকার ১১ টি ওয়ার্ডে হার হয়েছে তৃণমূলের। একটা ওয়ার্ডে টাই হয়েছে, বাকি পাঁচটায় কোনওরকমে এগিয়ে থাকা। এই হল এবারের ঝাড়গ্রাম পুর এলাকার ভোটচিত্র। সূত্রের খবর, ২০২২ সালে পুরভোটে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। জেলার একমাত্র পুর এলাকায় এমন ফলে জয়ের আনন্দ ফিকে হয়েছে।
পুরবাসীরা খারাপ ফলের জন্য তৃণমূলের কাউন্সিলরদেরই দুষছেন। তাঁরা বলেন, "পুর এলাকার পরিষেবা তলানিতে। দরকারেও পাশে পাওয়া যায় না কাউন্সিলরদের। সেই কারণেই মুখ ফিরিয়েছেন সাধারণ মানুষ।" তবে জয়ী সাংসদ কালীপদ সোরেন মনে করেন,দলীয় নেতৃত্ব ঠিক মতো জনসংযোগ করতে পারেননি। তাই পুরসভায় খারাপ ফল হয়েছে। প্রকাশ্যে না হলেও মন্ত্রী বীরবাহার উপরেও আসছে দায়ভার। কারণ পুরসভার দলীয় প্রচার কমিটির শীর্ষে ছিলেন তিনি। যদিও বীরবাহা বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন।