
শেষ আপডেট: 19 April 2024 14:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট দিলেই ভূরিভোজ!
সাত সকালে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়ে বেরোলেই পাতে পড়বে গরমাগরম লুচি, কাবলিচানার রষা কারি, পনিরের মাখা মাখা তরকারি। মন খুশি করে ভোট দিলে হরেক রকম মিষ্টি দিতেও ভুলছেন না স্থানীয় তৃণমূলের কর্মকর্তারা। ভোটার টানতে থালা সাজিয়ে খাওয়াদাওয়া অঢেল বন্দোবস্ত হয়েছে জলপাইগুড়িতে। ভোট তো নয়, রীতিমতো পিকনিকের আমেজ। ভোট দিয়ে খেয়েদেয়ে ঢেঁকুর তুলে বাড়ি যাচ্ছেন ভোটাররা।
জলপাইগুড়ি শহরের নানা প্রান্ত থেকে শুরু করে গ্রাম, চা-বলয়ের বুথের সামনে সকাল থেকে লম্বা লাইন। তার মধ্যে পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭/২০৮ /২০৯ নম্বর বুথের সামনের ছবিটা বেশ আলাদা। একদিকে ভোটের লাইন, অন্যদিকে হাঁড়ি-কড়া পেতে ছ্যাঁকছোঁক করে রান্না হচ্ছে। লুচি আর কাবলিচানার গন্ধে ম ম করছে গোটা এলাকা। ভোটার টানতে তৃণমূলের সদস্যরা পেটপুজোকেই হাতিয়ার করেছেন। তৃণমূলকে ভোট দিলেই এলাহি খাওয়ার সুযোগ। বুথ থেকে বেরোলেই পটাপট পাতে পড়বে গরমাগরম লুচি।
মেনুতে কী কী থাকছে?
ব্রেকফাস্টে গরম-গরম লুচি, কাবলিচানা, সঙ্গে পনির দিয়ে তরকারি এবং মিষ্টি। লাঞ্চের ব্যবস্থাও থাকছে। দুপুরের খাবারে থাকছে গরম ভাত, ডাল, ডিমের কারি, শেষ পাতে চাটনি।
তৃণমূলের সমাবেশে ডিমভাত খাওয়ানোর রেওয়াজ অনেক দিনের। তা নিয়ে কটাক্ষও করতে দেখা গিয়েছে বিরোধীদের। বানান বিকৃত করে সমাজমাধ্যমে অনেককে ‘ডিম্ভাত’ লেখেন। এবার ভোট চলাকালীনও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন হল জলপাইগুড়িতে। স্থানীয় তৃণমূল সদস্যরা বলছেন, মধ্যহ্নভোজ মানে এলাহি আয়োজন নয়। ডাল, ভাত, তরকারি, আর ডিমের ঝোল। বস্তুত, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি খুবই গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা কেন্দ্র। এই লোকসভা কেন্দ্রটি বর্তমানে তফশিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। বর্তমানে এই কেন্দ্রটি বিজেপির অধীনে রয়েছে। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী ডক্টর জয়ন্ত কুমার রায় এই আসন থেকে জেতেন। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের সময়কার পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ১৩ লক্ষ ৫১ হাজার ভোটার রয়েছে এই কেন্দ্রে।