
লকেট চট্টোপাধ্যায়, দেব
শেষ আপডেট: 23 April 2024 18:36
দ্য ওয়াল ব্য়ুরো: রামনবমীর দিন ভদ্রেশ্বরে প্রচারে গিয়েছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুগলির তৃণমূল প্রার্থী প্রচারে গিয়ে বলেছিলেন, রাম-সীতা-লক্ষ্মণ-হনুমান, এরা কেউই বিজেপির একার নয়।
আজ মঙ্গলবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে বেরোনোর সময় দেবকে দেখে যখন জয় শ্রী রাম স্লোগান ওঠে। সময় নষ্ট না করে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেব এগিয়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন যিনি স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁকে। পরে সাংবাদিকদের বলেন, "উনি বিজেপি কর্মী নন, উনি ভারতীয়। আমরাই দেশটাকে হিন্দু-মুসলিম, তৃণমূল-বিজেপি, গরীব-বড়লোকে ভাগ করে রেখেছি। বড় বড় নেতারা ভাগ করেছেন।"
সে প্রসঙ্গেই এদিন হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় বললেন, "একেই বলে আচ্ছে দিন। আমরা আচ্ছে দিনের দিকে আরও এগিয়ে যাচ্ছি। তৃণমূলও জয় শ্রীরাম বলছে। ওদের স্বাগত জানাই। আমরা বারবার বলেছি রাম কারও একার নয়। রাম সবার। আজকে সেটা প্রমাণ হচ্ছে।"
হুগলি জেলার অন্যতম বড় হনুমান জয়ন্তী উৎসব হয় বাঁশবেড়িয়ায়। এদিন কলবাজারের হনুমান মন্দিরের সামনে থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। কলবাজার, শিবপুর, ঝুলোনিয়া, বোরোপাড়া হয়ে ইসলামপাড়া দিয়ে আবার কলবাজারে ফেরে শোভাযাত্রা। এই পথে মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আগের বছরের অভিজ্ঞতা থেকে কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি প্রশাসন। হুগলি গ্রামীণ পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন-সহ পদস্থ অফিসাররা উপস্থিত থেকে শোভাযাত্রা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় তার তদারকি করেন। জেলার প্রায় সমস্ত থানার ওসিরা উপস্থিত ছিলেন।
হনুমানের গদা হাতে মিছিলে পা মেলান লকেট। তিনি বলেন, "পাঁচশো বছর পর রামের ভক্তরা জড়ো হয়েছেন। রামলালা অযোধ্যায় ফিরেছে। বজরংবলীর নাম করতে গেলে আগে রামের নাম করতে হবে। তাই চারিদিকে জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম ধ্বনি উঠেছে।"