
শেষ আপডেট: 4 April 2024 23:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত মার্চেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে অবসর নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়। এবারের লোকসভা ভোটে তমলুকে বিজেপির প্রার্থীও হয়েছেন হাইকোটের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ। চাইলে বাংলার রাজ্যপালও নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে নামতে পারেন!
বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠন ‘ওয়েবকুপা’র তরফে এমনই 'পরামর্শ' দেওয়া হয়েছে সিভি আনন্দ বোসকে।
ঘটনার সূত্রপাত, শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ব্রাত্য বসুকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যপাল। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রের খবর, এব্য়াপারে নবান্নে চিঠি পাঠিয়েছে রাজভবন। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ব্রাত্য বসু নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ রাজ্যপালের।
ইতিমধ্যে পাল্টা টুইটে রাজ্যপালকে কড়া জবাবও দিয়েছেন ব্রাত্য। ব্রাত্য লিখেছেন, "আমি রাষ্ট্রপতির কাছে রাজ্যপালের পদত্যাগ দাবি করলে সেটা যতটা হাস্যকর হবে, উনিও সেটাই করেছেন। সংবিধানে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, কোনও মন্ত্রীর অপসারণ কেবল মুখ্যমন্ত্রী করতে পারেন। এক্ষেত্রে রাজ্যপাল সাংবিধানিক সীমা অতিক্রম করেছেন। নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হয়ে থাকলে তো রাজনৈতিক দলগুলি অভিযোগ করবে। উনি আগবাড়িয়ে কেন এসব করছেন।"
ঘটনাচক্রে ওয়েবকুপার সভাপতি পদেও রয়েছেন ব্রাত্য। রাজ্যপালকে 'মহম্মদ বিন তুঘলকে'র সঙ্গে তুলনা করে তাঁর ভূমিকার তীব্র নিন্দা করে তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠন ‘ওয়েবকুপা’র তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "মেঘনাদের মতো মেঘের আড়াল থেকে বাণ নিক্ষেপ করা থেকে রাজ্যপাল বিরত থাকুন। না হলে বাংলার আপামর শিক্ষক সমাজ এই ঘৃণ্য রাজনৈতিক চক্রান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।’’
সূত্রের খবর, রাজ্যপালের 'ঘৃণ্য আচরণে'র প্রতিবাদে তাঁর অপসারণ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও আবেদন জানাবে ওয়েবকুপা।