
শেষ আপডেট: 4 March 2024 17:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজনীতিতে অসম্ভব কিছু নয়। আর বাংলার রাজনীতিতে প্রচলিত ধারণাই হল, কুণাল ঘোষের পক্ষে সব সম্ভব।
হলও তাই। মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে উত্তর কলকাতার তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘রোজভ্যালির দালাল’ বলে সমালোচনা করেছিলেন কুণাল। ভুবনেশ্বর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময়ে সুদীপের যে খরচ হয়েছিল, সেই টাকা কোনও কয়লা পাচারকারী দিয়েছিল কিনা তা নিয়ে তদন্তের দাবি করেছিলেন তিনি।
সোমবার সেই কুণাল জানালেন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়েছে। সন্ধে ৭টায় তিনি সুদীপের বাড়িতে যাবেন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে।
সুদীপ তালতলায় যে বাড়িটিতে থাকেন তা নিয়েও কদিন আগে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুণাল ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, স্কুলের বাড়ি সুদীপ গায়ের জোরে দখল করে রয়েছেন। সোমবার সেখানেই যাওয়ার কথা কুণালের।
সুদীপ তালতলায় যে বাড়িটিতে থাকেন তা নিয়েও কদিন আগে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুণাল ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, স্কুলের বাড়ি সুদীপ গায়ের জোরে দখল করে রয়েছেন। সোমবার সেখানেই যাওয়ার কথা কুণালের।
তৃণমূলের একটি সূত্রের মতে, সুদীপের ব্যাপারে কুণাল যে এত আক্রমণাত্মক হয়েছিলেন তার নেপথ্যে কারণ আসলে ভিন্ন। সেটা সুদীপ নয়। তা হল কুণাল ঘোষকে কাঁথি বা তমলুক লোকসভা থেকে প্রার্থী হতে বলেছিল দল। কিন্তু কুণাল তাতে কোনওভাবেই রাজি নয়। তাই এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেন যে দল তাঁর সঙ্গে সমঝোতায় রাজি হয়।
আরও একটি ঘটনা হল, রাজ্য রাজনীতিতে কুণাল ঘোষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তাই কুণাল প্রকাশ্যে সুদীপকে গালমন্দ শুরু করায় অনেকেরই ধারণা হয়েছিল যে অভিষেকের কথায় কুণাল এই সব করছেন। কিন্তু তা যে নয়, তা বোঝাতে মুখপাত্র পদ থেকে কুণালের ইস্তফা গ্রহণ করে নেয় দল। শুধু তা নয়, সোমবার সকালে তাঁকে শোকজ নোটিসও পাঠিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ না থাকলে সুব্রত বক্সী তা পাঠাতেন না।
ওই শোকজের ব্যাপারে কুণাল এদিন বলেন, সুব্রত বক্সী আমাকে স্নেহ করেন। আমিও ওনাকে সম্মান দিয়ে চলি। তবে সকাল থেকে হোয়াটসঅ্যাপে কত কিছু যে আসে, শোকজে কী লিখেছে, পড়ে দেখার সময় পাইনি। অন্যদিকে সুদীপের ব্যাপারে কুণাল বলেন, উনি দলের সাংসদ। সিনিয়র নেতা। আমাকে ফোন করেছিলেন। তাই সৌজন্যের জন্য তাঁর বাড়িতে যাচ্ছি। দেখি কী বলেন।