
শেষ আপডেট: 14 April 2024 16:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার পয়লা বৈশাখ। ভোটের আগে বর্ষবরণকে কাজে লাগিয়ে জনসংযোগের সুযোগ নষ্ট করতে চায় না কোনও দলই। রবিবার সকাল থেকেই শাসক-বিরোধী নেতারা নেমে পড়েছেন ভোট প্রচারের আসরে। গঙ্গাবক্ষে নববর্ষ পালনের সঙ্গে ভোট প্রচার করলেন হুগলি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। ঢাক, ঢোল বাজিয়ে জোর কদমে চলে প্রচার। এদিন চন্দননগর থেকে নৌকায় ওঠেন লকেট। চন্দননগরের রানীঘাট থেকে শুরু করে চুঁচুড়া, বাঁশবেড়িয়া হয়ে ত্রিবেনী পর্যন্ত জলপথে চলে এই প্রচার।
বিজেপি হুগলি সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে এদিন বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান পালন করা হয়। ঢাকের তালে বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্যরা লাল সাদা শাড়িতে কুলো হাতে নববর্ষের অনুষ্ঠান করেন। গণেশ পুজোর আয়োজন করা হয়। তবে ত্রিবেণীর পরেই ভাঙনবিধ্বস্ত বলাগড়ে যায়নি লকেটের নৌকা।
হুগলি লোকসভার মধ্যে চারটি এমন বিধানসভা রয়েছে যার অবস্থান গঙ্গার পারে। চন্দননগর,চুঁচুড়া, সপ্তগ্রাম ও বলাগড় বিধানসভা গঙ্গার পশ্চিমপাড়ে অবস্থিত। গঙ্গা পাড়ে বসতিও অনেক। সেই সব ভোটারের কাছে পৌঁছাতে রবিবাসরীয় প্রচারে জলপথকে বেছে নেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। তবে যে বলাগড়ে গঙ্গার ভাঙন দীর্ঘদিনের বড় সমস্যা সেই জায়গা এদিন এড়িয়ে যান লকেট। বলাগড়ে বহুদিন ধরে নৌকা শিল্প ধুঁকছে। প্রচারে গিয়ে নৌশিল্পের জন্য নতুন ভাবনার কথা শোনালেন বিজেপি প্রার্থী।
লকেট বলেন, "বলাগড়ের ভাঙন নিয়ে রাজ্য সরকার উদাসীন। কেন্দ্রর টাকা খরচ করেনি রাজ্য। ২০২৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গঠনের পর এই ক্ষেত্রে কোনও কাজ করা যায় কিনা তা নিয়ে কথা বলব।" তবে গত পাঁচ বছর ওই অঞ্চলের সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু এতদিন কেন তিনি উদ্যোগ নেননি, সংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে লকেটের বক্তব্য, "আমি সংসদে তুলেছি। কেন্দ্র টাকা দিলেও তা রাজ্যের মাধ্যমে খরচ হয়। এবার জিতলে দেখব অন্য কোনও পথ আছে কিনা।" বলাগড়ের নৌ শিল্পকে বাঁচাতে শিল্পীদের বিশ্বকর্মা যোজনার অধীনে তিন লাখ টাকার ঋণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।