
ব্যালট পেপার - প্রতীকী চিত্র
শেষ আপডেট: 16 March 2024 18:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রত্যেক মুখ্য নির্বাচন কমিশনারই তাঁর মেয়াদে লোকসভা ভোটে কিছু না কিছু অভিনব করতে চান। যার মূল লক্ষ্য থাকে অবাধ ভোট এবং গণতন্ত্রের এই উৎসবে সবাইকে সামিল করা। যত বেশি সম্ভব মানুষকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসা। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতাই বলছে, সবাই ভোট কেন্দ্রে আনা সম্ভব হয় না। অনেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ভোট দিতে যান না। অনেকে যান না বয়সের কারণে বা শারীরিক অক্ষমতার কারণে।
শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছেন। ১৯ এপ্রিল থেকে ৭ দফায় ভোট গ্রহণ হবে। শেষ তথা সপ্তম দফার ভোট গ্রহণ হবে ১ জুন। আর ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৪ জুন।
রাজীব কুমার এদিন বলেন, আগেই ভোট ফ্রম হোম বিক্ষিপ্ত ভাবে চালু করা হয়েছিল। এই লোকসভা ভোটে গোটা দেশে এই ব্যবস্থা চালু থাকবে। বাড়িতে বসেই ভোট দেওয়া যাবে। বাড়িতে গিয়ে জনমত নেবেন ভোট কর্মীরা।
তিনি জানান, বরিষ্ঠ নাগরিকদের মধ্যে যাঁদের বয়স ৮৫ বছর বা তার বেশি এই রকম ভোটাররা পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর যাঁরা বিশেষ ভাবে সক্ষম এবং যাঁদের সক্ষমতার হার ৪০ শতাংশের বেশি নয়, তাঁরাও এই ব্যবস্থার সুবিধা নিতে পারবেন।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, দেশের ৮৫ বছর বয়সের উর্ধ্বে সিনিয়র সিটিজেনের সংখ্যা ৮১ লশ্র ৮৭ হাজার ৯৯৯। তাঁদের মধ্যে শতায়ু ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ১৮ হাজারের কিছু বেশি। তাঁরা পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনের কথায়, পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা হল ঠিকই তবে দেখা যায় অনেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পছন্দ করেন। দেশে গণতন্ত্রের উৎসব শুরু হল। এই ভোটে এমন স্পিরিটই কমিশন আশা করছে।