
শেষ আপডেট: 9 March 2024 21:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভা ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই পদত্যাগ করলেন নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল। কী কারণে এই পদত্যাগ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। সূত্রের খবর, তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর আগে ২০১৯-এ তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার সঙ্গে মত বিরোধের কারণে পদত্যাগ করেছিলেন অশোক লাভাসা।
সাতদিন আগেই কলকাতায় এসেছিলেন নির্বাচন কমিশনার অরুণ। ভোটের আগে রাজ্যে এসেছিল কমিশনের ‘ফুল বেঞ্চ’। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারের সঙ্গে এসেছিলেন অরুণ গোয়েলও। তার পরেই আচমকা তাঁর ইস্তফা দেওয়ার খবর সামনে এল। জানা গেছে, তাঁর ইস্তফা গৃহীতও হয়েছে।
নিয়ম হল দেশে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার-সহ মোট তিন জন নির্বাচন কমিশনার থাকতে পারেন। এত দিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার এবং নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েলই সব দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। তৃতীয় পদটি ফাঁকাই ছিল। অরুণ গোয়েল নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর দুটো পদই শূন্য হয়ে গেল। তার মানে, এখন 'ফুল বেঞ্চ' বলতে শুধু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারই আছেন।
সেবার লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা নিয়ে অস্বীকার করেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা এবং আরও এক কমিশনার সুনীল চন্দ। অন্যদিকে, লাভাসা ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। তা নিয়ে বিরোধের জেরে চাপের মুখে তিনি কমিশন থেকে পদত্যাগ করে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের চাকরিতে যোগ দেন। কমিশনে থাকলে এখন তিনিই হতেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
এখন কমিশনে একমাত্র মুখ নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারই আছেন। কারণ গত মাসে সুনীল চন্দ্র অবসর নেওয়ার পর কমিশনারের একটি পদ ফাঁকাই ছিল। তা নিয়েও নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছিল, ভোট যখন দুয়ারে কড়া নাড়ছে তখন কমিশনারের পদ শূন্য কেন। এখন কার্যত প্রধানমন্ত্রীর হাতেই কমিশনার নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। গত বছর আইন সংশোধন করে প্রধানমন্ত্রীকে কমিশনার নিয়োগে শেষ কথা করা হয়েছে।