
কংগ্রেস নেতার বাড়িতে বসে চায়ে পে চর্চায় দিলীপ ঘোষ-নিজস্ব চিত্র
শেষ আপডেট: 1 May 2024 13:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: ভাষার ব্যবহার নিয়ে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে কমিশনে অনেক বার নালিশ করেছেন বিরোধীরা। শুধু দিলীপবাবু একা নন, ভোটের ময়দানে লড়াই করতে নেমে শাসক-বিরোধী দুই পক্ষের নেতাদেরই কদর্য ভাষার ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে। বিতর্কও হয়েছে এই ভাষা সন্ত্রাস নিয়ে। আবার উল্টে দিকে দেখে গিয়েছে সৌজন্যের রাজনীতিও। এবার সেই সৌজন্যের রাজনীতির অঙ্গনে দু’দণ্ড বসলেন দিলীপ ঘোষও।
সোমবার দুর্গাপুরের সেপকো টাউনশিপের বাসিন্দা ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তীর মাতৃবিয়োগ হয়েছে। বুধবার সকালে প্রচারে বেরোবার আগে দেবেশবাবুর বাড়িতে গেলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা। এখানেও একপ্রকার ‘চায়ে পে চর্চা’ই করলেন দিলীপ বাবু, যদিও আলোচনার মূল বিষয় ছিল অতীতের বাংলার রাজনীতি।
কংগ্রেস নেতার বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপবাবু বলেন, "আমি শুনলাম কংগ্রেসের জেলা সভাপতি দেবেশবাবুর মাতৃবিয়োগ হয়েছে। তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করে গেলাম। এর আগে খড়্গপুরের টিএমসির চেয়াম্যানের মাতৃবিয়োগের খবর পেয়ে সেখানেও গিয়েছিলাম। এগুলো হওয়া উচিৎ। আমরা সমাজের মধ্যে থাকি। সুখে দুঃখে না থাকলে কিসের সমাজ। আগে সমাজ, দেশ তারপর রাজনীতি।"
ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী বলেন, "রাজনৈতিক সৌজন্যতা বাংলার সংস্কৃতিতে তো ছিল। নৈতিক লড়াই ভোটের সময়ে থাকবে। মতপার্থক্য আমাদের মধ্যে থাকতে পারে। মতান্তর হতে পারে কিন্তু মনান্তর যেন না হয়।"
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে দেবেশ চক্রবর্তীর বাড়িতে যান তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।